default-image

দিনক্ষণ মেপে ভালোবাসা যায় না। ভালোবাসা প্রতিদিন সাধনা করার মতোই একটা বিষয়। তবু ভালোবাসা প্রকাশের বড় একটি উপলক্ষ হলো ভালোবাসা দিবস। বিশেষ এই দিনে প্রিয়জনের জন্য আলাদা কিছু করা যেতেই পারে। উপহার অনেক দামি আর বড় হতে হবে, এমনটি নয়। তবে সেটাতে থাকুক আপনার ভালোবাসার ছোঁয়া।

ফুল ছাড়া ভালোবাসা দিবসের উপহার যেন ঠিক পূর্ণতা পায় না। তাই উপহার হিসেবে যেটিই দিন না কেন, সঙ্গে ফুল দিতে ভুলবেন না। এ ক্ষেত্রে লাল গোলাপ সবচেয়ে মানানসই। চাইলে কয়েকটি রঙের গোলাপ দিয়ে একটি তোড়া বানিয়ে দিতে পারেন।

উপহার হিসেবে দুজনের জন্য মিলিয়ে একই রকম জোড়া টি-শার্ট, মগ, মোবাইলের কভার বা হাতঘড়ি এখন বেশ জনপ্রিয়। ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন ফ্যাশন হাউস, উপহারের দোকান ও ই-কমার্স সাইটগুলোতে দম্পতি উপহারসামগ্রী পাবেন। চাইলে ফরমাশ দিয়ে নিজের পছন্দমতো কোনো উপকরণ বানিয়ে নিতে পারেন।

নতুন স্বাভাবিকে প্রিয়জনকে উপহারের সঙ্গে সুরক্ষাসামগ্রীও যোগ করে দিতে পারেন। বিভিন্ন অনলাইনভিত্তিক দোকানে ফরমাশ দিয়ে দুজনের জন্য দম্পতি মাস্ক বানিয়ে নিতে পারেন। এ ছাড়া রঙিন বা নকশাওয়ালা মাস্কও দিতে পারেন প্রিয়জনকে।

বিজ্ঞাপন

বিশেষ কোনো দিবস উদ্‌যাপনে একসঙ্গে সিনেমা দেখতে যাওয়ার চল বেশ পুরোনো। তবে মহামারিতে সিনেমা হলের জনসমাগমে এড়িয়ে ঘরে বসেও সিনেমা দেখা যেতে পারে। এ ক্ষেত্রে উপহার হিসেবে প্রিয়জনকে নেটফ্লিক্স, অ্যামাজন প্রাইম, বায়োস্কোপ, হইচই বা অন্য কোনো ওটিটি (ওভার দ্য টপ) প্ল্যাটফর্মের এক মাস, ছয় মাস বা পুরো বছরের সাবস্ক্রিপশন উপহারও দিতে পারেন।

ভালোবাসার মানুষটি যদি ভোজনরসিক হয়, তাহলে উপহার হিসেবে বিভিন্ন রেস্তোরাঁর ফুড কুপন দেওয়া যেতে পারে। অথবা ভালোবাসা দিবসে অনলাইন ফুড ডেলিভারি সেবার মাধ্যমে ঘরের দরজায় পৌঁছে দিতে পারেন তাঁর পছন্দের কোনো খাবার।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই সময়ে ছবি বাঁধাই কিংবা ছবির অ্যালবামের ব্যবহার হয়তো কমে গেছে। তবে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমের ছবির চেয়ে ছাপানো ছবির আবেদন সব সময়ই বেশি। তাই নিজেদের পছন্দের কোনো ছবি বাঁধাই করে উপহার দিতে পারেন। অথবা একাধিক ছবি সাজিয়ে একটি ফটো অ্যালবামও বানাতে পারেন।

ভালোবাসা দিবসের চিরায়ত এক উপহার হলো শুভেচ্ছা কার্ড। সবচেয়ে ভালো হয় যদি নিজ হাতে কোনো কার্ড বানানো যায়। ইউটিউবে সহজে ব্যতিক্রমী ধরনের কার্ড বানানোর প্রক্রিয়া মিলবে। এসব ভিডিও দেখে নিজেই বানিয়ে ফেলতে পারেন চমৎকার কোনো কার্ড।

আঁকাআঁকির হাত ভালো হলে নিজেদের কোনো ছবি এঁকে চমকে দিতে পারেন প্রিয়জনকে। লেখালেখিতে দখল থাকলে ভালোবাসার মানুষকে নিয়ে লিখে ফেলুন কোনো কবিতা কিংবা গান। এরপর নিজের মতো করেই সেই গান কিংবা কবিতা পাঠ করে শোনান আপনার প্রিয়জনকে।

মন্তব্য করুন