বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

তবে আরামের বাইরেও ঈদের সময় অনেকে বিয়েবাড়িতে পরার জন্য বা পার্টির পোশাক হিসেবে পাঞ্জাবি পরেন। এ ধরনের ক্রেতাদের জন্য আছে একটু ভারী কাপড়ে ভারী নকশা। ক্লাব হাউসের ডিজাইনার আনিক ইসলাম বলেন, ‘তরুণদের চাহিদার কথা ভেবে বাজারে কাবলি ও স্লিম ফিট কাটের পাঞ্জাবির নকশা করা হয়েছে।’

default-image

ক্যাজুয়াল এই পাঞ্জাবির কাপড় হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে রেমি কটন। গাঢ় নীল পাঞ্জাবির বাটন প্লেটে ব্যবহার করা হয়েছে রঙিন কাপড়। সেই নকশা ধরে হাতার নিচের অংশে পাইপিং করা আছে। পাঞ্জাবির বাটন প্লেটের রংটুকু মূলত ওপরের প্রিন্সকোট থেকে নেওয়া। ইন্ডাস্ট্রিয়াল সিল্ক কাপড়ে বানানো এই প্রিন্স কোটে জারদৌসি কাজের নকশা। ঈদের রাতে কোথাও দাওয়াতে গেলে এমন সাজ আপনাকে দেবে অভিজাত চেহারা।

default-image
default-image

সুতি ও সিল্ক মিশ্রণের বিশেষ এই কাপড়কে বলে ব্লেন্ডেড ফেব্রিক। গরমের দিনে এই কাপড়ে পুরোপুরি আরাম নিশ্চিত হবে। কাপড়ের পুরো অংশজুড়ে ডিজিটাল প্রিন্ট করা হয়েছে। দুই বছর ধরেই ছেলে ও মেয়েদের পোশাকে ডিজিটাল প্রিন্টের জনপ্রিয়তা শুধু বাংলাদেশেই নয়; ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলঙ্কাতেও দেখা যাচ্ছে। কাপড়টা নিজেই এত রঙিন যে আলাদা করে কোনো কারুকাজ করার দরকার পড়ে না। নীল জিনসের প্যান্টের সঙ্গে এমন পাঞ্জাবি পরা যেতে পারে।

default-image
default-image

নেভি ব্লু এই পাঞ্জাবিটা তরুণদের জন্য জুতসই। বাড়তি কোনো সুতার কাজ নেই। ধাতবের বোতামগুলোই ভিন্নতা এনেছে। স্লিমফিট কাটের এই পাঞ্জাবিতে ব্যবহার করা হয়েছে ভিসকস ফেব্রিক। এ ধরনের পাঞ্জাবিকে সাধারণত ক্যাজুয়াল লুকের পাঞ্জাবি বলা হয়।

default-image
default-image

গরমের মধ্যে ঈদ, তাই সাদার চেয়ে আরামদায়ক রং আর কী হতে পারে! ধবধবে সাদা পাঞ্জাবিতেও তাই গ্রীষ্মকে প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। পুরো পাঞ্জাবির কাপড়েই সেলফ কালারের জ্যাকার্ড বুনন আছে, যা কেবল কাছে এলেই বোঝা যায়। এ ধরনের কাপড়কে ডব্বি ফেব্রিকও বলে। তার সঙ্গে সাদা প্যান্ট কাটের পায়জামা আর পায়ে স্যান্ডেল থাকতে পারে ঈদের দিন।

default-image
default-image

এবারও ঈদের চলতি ধারায় আছে কাবলি। পাঞ্জাবির বদলে অনেকেই বিশেষ করে তরুণেরা কাবলি পরতে ভালোবাসেন। কাবুলের এই বিশেষ পোশাক তাই দেশেও এখন দারুণ জনপ্রিয়। কাবলির আরেকটি সুবিধা হলো শরীরে বাতাস চলাচলের সুবিধা মেলে। থ্রি-পিস স্যুটের এই কাবলির প্যান্টেও আছে ভিন্নতা। সাধারণত কাবলির পায়জামা অনেক বেশি ঢিলেঢালা হয়। এখানে সেই ধারা ভেঙে সেমি ন্যারো ধাঁচের পায়জামা করা হয়েছে। ওপরের কটিটাতেও আছে বৈচিত্র্য। কটি না বলে তাই ওয়েস্ট কোট বলাই ভালো হবে। কারণ, ওয়েস্ট কোটের পেছন দিকে বেল্ট যুক্ত করা আছে, যা দিয়ে সহজেই কটিটা মাপমতো ফিট করে নেওয়া যায়। আর পুরো সেট তৈরি করা হয়েছে ডাস্ট ব্লু রঙের ওপরে।

default-image
নকশা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন