বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

কে-ক্র্যাফটের পরিচালক খালিদ মাহমুদ খান বলেন, কেবল কিশোর-কিশোরীদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে ইয়াংকে নামে আলাদা শাখা করেছে কে-ক্র্যাফট। বর্তমানে কিশোরীরা বেশ ফ্যাশনসচেতন। তবে তাদের ভেতর এখন জমকালোর চেয়ে সহজাত পোশাকের প্রতি বেশি আগ্রহ দেখা যাচ্ছে।

default-image

ঈদবাজার ঘুরে দেখা গেল, কিশোরীদের জন্য রয়েছে জাম্প স্যুট, লং গাউন, স্কার্ট, টিউনিক। মিডি বা ওয়ান পার্টের ড্রেসগুলোও বেশ চলছে এবার। পাশাপাশি সিঙ্গেল ছোট ও বড় কামিজ তো রয়েছেই। টপসের নকশায়ও এসেছে পরিবর্তন। বেশি ঘেরের টপসও রয়েছে পছন্দের তালিকায়। পোশাকগুলোতে রয়েছে দেশীয় ও মডার্ন ফিউশনের কাজ।

default-image

যেহেতু গরমকাল, তাই কাপড়ে সুতি ও সিনথেটিক অথবা বিসকস ও সুতির মিশ্রণ দেখা গেল। কিছু ক্ষেত্রে প্রিন্ট ও এক রং—দুটোরই মিশ্রণ রয়েছে। ক্রেপ সিল্কের কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে। জর্জেটের ক্ষেত্রে উন্নত মানের এমন কাপড় ব্যবহার করা হয়েছে, যেগুলোতে গরম কম লাগবে এবং শরীরে খসখসে ভাব কম অনুভূত হবে। গরমের কথা মাথায় রেখে হাত ও গলার নকশায় পরিবর্তন এসেছে। ঢোলা, কুচি, ঘটি, শামুক হাতার কাটতি দেখা যাচ্ছে। কুচি ও বড় গলার জামারও চাহিদা রয়েছে বেশ। ‘এ’ শেপ, গোল, ‘ইউ’ ইত্যাদি কাটের ব্যবহারও চোখে পড়েছে।

default-image

ফ্যাশন হাউস কিউরিয়াসের মার্কেটিং এক্সিকিউটিভ তাসনুভা আহমেদ বলেন, ‘ঈদকে কেন্দ্র করে কিশোরীদের পোশাকে উজ্জ্বল রং ব্যবহার করা হয়েছে। লাল রং তো রয়েছেই। সঙ্গে গোলাপি, পিচ, হলুদ, বিভিন্ন রঙের ব্যবহার থাকছে।’ বাজার ঘুরেও তা-ই দেখা গেল। আবার গরমের জন্য চোখে আরামদায়ক হবে পোশাকে এমন রং প্রাধান্য পেয়েছে। সি গ্রিন, ক্রিম, চাঁপা সাদার সঙ্গে হলুদ বা লালের ব্যবহার রয়েছে।

default-image

প্যান্টের ক্ষেত্রেও আনা হয়েছে পরিবর্তন। পালাজ্জো, লেগিংসের নকশায় এসেছে ভিন্নতা। টিউলিপ কাট, পায়জামার নিচে কুচি বা পুঁতির কারুকাজ চলছে এবার ঈদে। টপসের সঙ্গে পড়ার জন্য কিশোরীদের ভেতরে নকশাদার স্কার্টের চাহিদাও রয়েছে। এ ধরনের পোশাকের দাম পড়বে ৬০০ থেকে ৩ হাজার টাকা। নকশাদার পায়জামা, পালাজ্জো, ট্রাউজারের দাম পড়ছে ২৫০ থেকে ৬০০ টাকা।

নকশা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন