বিজ্ঞাপন

* মাংস পলিথিন বা পাত্রে না রেখে শুধু ফেলে রাখা যাবে না। এতে মাংসের গুণাগুণ নষ্ট হয়। যতখানি সম্ভব মুখ বন্ধ পাত্র বা পলিথিনের মুখ বন্ধ করে ফ্রিজে রাখতে হবে। এতে বরফ হওয়া মাংস বের করতেও সুবিধা।

* কাঁচা মুরগির মাংস ডিপ ফ্রিজে আস্ত অবস্থায় রাখলে তা প্রায় ১ বছর পর্যন্ত ভালো থাকে। আর কাটা অবস্থায় ৫-৬ মাসের মধ্যে রান্না করাই উত্তম।

* মাংস প্রয়োজন বুঝে ছোট ছোট প্যাকেটে সংরক্ষণ করুন। এতে যেদিন যে প্যাকেটটি প্রয়োজন, সেটিই নামাতে পারবেন।

মাংস রাখার সময়

* ফ্রিজে মাংস রাখার আগে অবশ্যই ডিপ ফ্রিজ পরিষ্কার করে নিতে হবে। আবার মাংস রাখার কিছুদিন পরও আবার ফ্রিজ পরিষ্কার করে নিন। এতে ফ্রিজের খাবারে দুর্গন্ধ হবে না।

* ফ্রিজে মাংস গুছিয়ে রাখতে হবে। এলোমেলো ও গাদাগাদি করে মাংস রাখা সঠিন সংরক্ষণের নিয়ম নয়।

* ফ্রিজে মাংস রাখলে দুটি প্যাকেটের মাঝে একটি দূরত্ব রাখুন। এতে বাতাস চলাচল করতে পারবে।

* মাংসে অপ্রয়োজনীয় হাড় ও তেল–চর্বি থাকলে তা কেটে ফেলে দিতে হবে। কারণ বরফ হলে পরবর্তীকালে পরিষ্কার করা কঠিন।

* গরুর মাংস, খাসির মাংস, মুরগির মাংস, হাঁসের মাংসও ভিন্ন প্যাকেটে রাখুন। মাংস বলে সব এক করে মিলিয়ে রাখা যাবে না।

* যে মাংস একটু থেঁতলে নিতে চান, তা ফ্রিজে রাখার আগেই নিতে হবে। কারণ, বরফ হলে তা তাজা মাংসের মতো থাকবে না।

* মাংস যদি দীর্ঘদিন ফ্রিজে রাখার পরিকল্পনা থাকে, তবে অবশ্যই ওপরে একটু লবণ ছিটিয়ে নিতে পারেন। এতে মাংসের স্বাদ, গুণাগুণ ও ঘ্রাণ ভালো থাকবে।

মাংস বের করার পর

* মাংস সরাসরি পানিতে ভিজিয়ে বরফ ছাড়ানো ঠিক নয়; বরং পলিথিন বা পাত্র ভিজিয়ে রাখুন। বরফ ছেড়ে দিলে পানি দিয়ে ধুয়ে সঙ্গে সঙ্গে রান্না করে ফেলুন।

* মাংসের রং, গন্ধ ও স্বাদ ঠিক রাখতে বেশি পানিতে ধোয়া বা বারবার ফ্রিজ থেকে বের করা যাবে না।

নকশা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন