default-image

বাসন্তী রঙের শাড়ি মায়ের পরনে, ছোট্ট মেয়েটিও পরেছে একই রকম শাড়ি। দুজনের মাথাতেই হয়তো ফুলের মুকুট। মা কিংবা বোনের হাত ধরে বসন্তবরণে বেরিয়েছে বাড়ির সবচেয়ে ছোট্ট সদস্যটিও। তারও তো চাই উৎসবের পোশাক।

default-image

কথা হলো ডিজাইনার লিপি খন্দকারের সঙ্গে। তিনি জানালেন, ছোটদের বসন্তের পোশাকে এবারও প্রাধান্য পেয়েছে কমলা, হলুদ, সবুজ—এই রংগুলো। মেয়েদের জন্য আছে কুর্তা, ঘাগড়া-চোলি, সালোয়ার-কামিজ আর ছেলেদের জন্য পাঞ্জাবি। ছোট মেয়েদের পোশাকের নকশায় ফুলেল মোটিফ এবার বেশ নজরে পড়ছে।

default-image

অঞ্জনসের ডিজাইনার বকুল বেগম বললেন, এবার তাঁদের সংগ্রহে হলুদ, লেবু, সবুজ, জলপাই ও কমলা রঙের প্রাধান্য আছে। সালোয়ার-কামিজ, ফ্রক এবং টপে থাকছে ফুলেল নকশা। ছেলেশিশুদের জন্য আছে পাঞ্জাবি ও ফতুয়া। ছোটদের পোশাকে ব্যবহার করা হয়েছে সুতি, লিনেন ও ভয়েল কাপড়। এক বছর থেকে শুরু করে ১৪-১৫ বছরের শিশুদের পোশাক রয়েছে। বাবা-মায়ের পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে পোশাক কেনার সুযোগ রয়েছে এখানে, জানালেন তিনি। রয়েছে ছোট মেয়েদের জন্য ব্লক ও স্ক্রিনপ্রিন্টের নকশা করা বাসন্তী, কমলা ও হলুদ রঙের কিছু শাড়িও।
ফ্যাশন হাউস শৈশব ছোটদের জন্য এনেছে ফ্রক, কামিজ, টপ, রেডিমেড শাড়ি, গেঞ্জি সেট, ফতুয়া, ধুতি ও পাঞ্জাবি। কলারসহ বলপ্রিন্টের ফ্রকে করা হয়েছে অ্যাপ্লিকের কাজ। নানা প্যাটার্নের কামিজে প্রাধান্য পেয়েছে হলুদ ও লাল রং। ছেলেদের ফতুয়া ও পাঞ্জাবিতে করা হয়েছে ব্লক ও স্ক্রিনপ্রিন্ট, হাতায় ও কলারে থাকছে উজ্জ্বল রঙের বর্ডার। ধুতিও পাওয়া যাচ্ছে বাসন্তী রঙের। পাঞ্জাবি বা ফতুয়া দুটির সঙ্গে এই ধুতি ভালো লাগবে।
কথা হলো অভিনেত্রী বাঁধনের সঙ্গে। তিনি ও তাঁর মেয়ে মিশেল আমানী প্রায় সব অনুষ্ঠানেই মিলিয়ে পোশাক পরেন। জানালেন, এবার পয়লা ফাল্গুনেও মা-মেয়ে পরবেন একই রকম শাড়ি। হলুদ আর লালের সমন্বয়ে নকশা করা শাড়ির সঙ্গে দুজনেই পরবেন ঘটি হাতার ব্লাউজ। বাঁধন বলেন, ছোটদের সাজে প্রসাধনী ব্যবহার না করাই ভালো। শুধু চোখে একটু কাজল দেওয়া যেতে পারে। কপালে পরতে পারে ছোট্ট একটি টিপ। এই বসন্তে তাঁর মেয়েকে হয়তো পেছনে খোঁপা করে ফুল লাগিয়ে দেবেন। শিশু স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করলে এদিন গলায় ফুলের মালা ও মাথায় ফুলের মুকুটও পরানো যেতে পারে। গলায় রংবেরঙের পুঁতির মালা আর হাতে কয়েক গোছা চুড়িতেও সুন্দর লাগবে।

বিজ্ঞাপন
নকশা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন