মেয়ে আরোহীর সঙ্গে মিলিয়ে পোশাক পরেছেন মা সংবাদ পাঠক আঁখি ভদ্র।  পোশাক: লা–রিভ
মেয়ে আরোহীর সঙ্গে মিলিয়ে পোশাক পরেছেন মা সংবাদ পাঠক আঁখি ভদ্র। পোশাক: লা–রিভছবি: সুমন ইউসুফ

সন্তানের সঙ্গে মিলিয়ে মায়ের পোশাক পরার রীতি পুরোনোই। শাড়ির ব্লাউজ পিস দিয়ে ছয় মাসের কন্যাশিশুর পোশাক বানান অনেকে। যেন মা-মেয়ের আত্মিক সম্পর্কের কিছুটা হলেও বাইরে প্রকাশ করা। সাধারণ সময়ে তো পরা হয়ই। উৎসবের সময় যেন আবশ্যক চলতি ধারা এটা। মা ও মেয়ের পোশাক মিলিয়ে পরা চাই-ই চাই।

বিজ্ঞাপন
default-image

মায়ের শাড়ি, তো মেয়ের কামিজ। অথবা মায়ের জন্য সালোয়ার–কামিজ, তো মেয়ের জন্য ফ্রক। দুজনের পোশাকের কাটে ভিন্নতা থাকলেও নকশায় চলে আসতে পারে অভিন্নতা। শৈলী ক্রিয়েটিভ স্টুডিওর কর্ণধার তাহমীনা শৈলী বিষয়টি তুলে ধরলেন মজা করেই। মায়ের যখন মেয়ে হয়, তখন তিনি নিজের শৈশবকেই যেন ফিরে পান। নিজের শখগুলো মেয়ের ওপর দিয়ে পূরণ করতে থাকেন। আমার ছোটবেলায়ও দেখতাম, মা তাঁর শাড়ির সঙ্গে মিলিয়ে নিতেন আমার সাজপোশাকের কোনো একটা অংশ। লেস বা রিবন দিয়ে বানিয়ে দিতেন আমার মাথার কোনো একটা অনুষঙ্গ বা জুড়ে দিতেন জুতার ওপর কিছু একটা। সন্তানের সঙ্গে নিজের সম্পর্ক প্রকাশের একটা মজার বিষয় এটি। ও আমার সন্তান, আমরা একটা দল—এটা প্রকাশ করতেও যেন মিলিয়ে পোশাক পরা।

default-image

একটু চিন্তা করে দেখলে, মা-মেয়ের পোশাক একই কাটের ও নকশার হতে পারে। অথবা শুধু রং দিয়েও আনা যায় মিল। সালোয়ার কামিজ, টপ বা লম্বা ছাঁটের পোশাক তো মিলিয়ে পরা যায়ই। নকশা ছোট হলে মানিয়ে যাবে দুজনের পোশাকেই। শিশুদের পোশাকের নকশা বেশি বড় না হওয়াই ভালো।

বিজ্ঞাপন
default-image

পোশাকে ও চুল বাঁধায় ছিমছামভাবে আরাম বোধ করবে। একটু চিন্তা করলে, সন্তান ছোট থাকলেই মিলিয়ে পোশাক পরার চল থাকে। বয়স বাড়বে, মা-মেয়ের পোশাকেও চলে আসবে বিপরীত রং ও নকশা। তখন চাইলেও এক নকশার কাপড় পরা আর হয় না। এই বয়সেই চলুক না তাহলে মিলিয়ে পোশাক পরার ঢং। বন্ধন তো দৃঢ় আছেই, পোশাকের মধ্যে দিয়ে প্রকাশ ঘটুক মাঝেমধ্যে।

মন্তব্য পড়ুন 0