বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

হ্যালোউইন উৎসব শুরু হয় মূলত সেল্টিক উৎসবের মধ্য দিয়ে। ভূতের ভয় বা ভূত তাড়ানোর উৎসবে অদ্ভুত সব পোশাক, সাজসজ্জা করা হয়। সঙ্গে থাকে ভৌতিক সব মুখোশ আর অনুষঙ্গ। এসব ভৌতিক অনুষঙ্গের মধ্যে অন্যতম হলো মিষ্টিকুমড়া।

default-image

বড় বড় মিষ্টিকুমড়া কেটে কেটে দেওয়া হয় ভৌতিক সব অবয়ব। কুমড়ার ভেতরের অংশ ফাঁকা করে বসিয়ে দেওয়া হয় আলো। এতে মনে হয় সামনে সত্যিই যেন কোনো দানব দাঁড়িয়ে আছে।

হ্যালো্উইনে মিষ্টিকুমড়া প্রথম ব্যবহার শুরু করে আইরিশরা। একে বলা হয় জ্যাক-ও-ল্যান্টার্ন।

আইরিশরা শুরুতে মিষ্টিকুমড়া তাদের জানালা বা দরজার সামনে ব্যবহার করত ভূত থেকে নিজেদের সুরক্ষিত করতে। কিন্তু এখন এই ধারণা বদলে গেছে। আধুনিক সময়ে শুধু বিনোদনের জন্যই মিষ্টিকুমড়ার ভূত তৈরি করা হয়।

মিষ্টিকুমড়ার প্রায় ৩০টি ধরন রয়েছে। কিন্তু মজার ব্যাপার হলো, জ্যাক-ও-ল্যান্টার্ন তৈরিতে ব্যবহার করা কুমড়ার ধরন একেবারেই আলাদা। এর ভেতরের অংশটি বেশ কড়া ও শক্ত হয়। তাই এই সবজি একেবারেই খাওয়ার যোগ্য নয়। এই ধরনকে বলা হয় কনেকটিকাট।

এ ছাড়া এ জাতের মিষ্টিকুমড়া হয় গোলাকার ও মোটা। আবার কিছু কিছু মিষ্টিকুমড়া হয় একটু অসমান।

default-image

আইরিশ লোককাহিনি অনুসারে, জ্যাক ছিলেন একজন কামার। যিনি কয়েকবার শয়তানকে ধোঁকা দিয়েছিলেন। কিন্তু জ্যাক মারা যাওয়ার পর তাকে স্বর্গ বা নরক কোনোটিতেই প্রবেশ করতে দেওয়া হলো না। ফিরিয়ে দেওয়ার সময় শয়তান তাকে কিছু অঙ্গার সঙ্গে দিয়ে দিল। জ্যাক সেই অঙ্গার বহন করলেন শালগমের মধ্যে। ফলে জ্যাক হয়ে রইলেন জ্বলন্ত প্রেতাত্মা। সেই থেকেই শব্দটি প্রচলিত।

তবে ভৌতিক মুখ খোদাই করতে আইরিশদের কাছে সব থেকে সহজলভ্য ছিল মিষ্টিকুমড়া। তাই শালগম, গাজর, বিট বা আলুর থেকে মিষ্টিকুমড়া ব্যবহার হয় বেশি।

নকশা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন