বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

গভর্নমেন্ট কলেজ অব হিউম্যান সায়েন্সের শিশু বিকাশ ও সামাজিক সম্পর্ক বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা ফেরদৌস জানালেন ডায়াপার থেকে র‍্যাশ হওয়ার কারণসমূহ।

  •  ডায়াপারের সঙ্গে ত্বকের ঘষা

  •  দীর্ঘ সময়ের জন্য শিশুর ডায়াপার ভেজা অথবা ময়লা থাকলে

  •  ইস্টের সংক্রমণ হলে

  •  ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে

  •  সাবান, ডায়াপার ও ওয়াইপসে সুগন্ধি বা অ্যালকোহল যুক্ত থাকলে।

default-image

অনেক সময় সচেতন থাকার পরও ডায়াপার পরানোর কারণে শিশুর ত্বকে র‍্যাশ হয়ে যায়। এ সমস্যা থেকে রেহাই পেতে ঘরোয়া কিছু উপায় রয়েছে। অ্যান্টিফাঙ্গাল ও অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্যের জন্য নারকেল তেল বেশ সুপরিচিত। শিশুর ডায়াপারজনিত র‍্যাশ প্রতিকারের জন্যও এটি বেশ ভালো কাজ করবে। কুসুম গরম পানি দিয়ে শিশুর নিতম্ব ধুয়ে নরম তোয়ালে দিয়ে শুকনা করে মুছে নিন। পরিষ্কারের পর ১ টেবিল চামচের অর্ধেক পরিমাণ নারকেল তেল ফুসকুড়ি বা র‍্যাশের ওপরে দিয়ে দিন।

ডায়াপারজনিত ফুসকুড়ি বা র‌্যাশ থেকে আরাম পাওয়ার জন্য বুকের দুধ বেশ কার্যকর ভূমিকা পালন করে। কয়েক ফোঁটা বুকের দুধ নিয়ে র‍্যাশের ওপরে দিয়ে দিন এবং শুকিয়ে যেতে দিন। এরপর পরিষ্কার ডায়াপার পরিয়ে দিন।

default-image

ডায়াপার পরানোর আগে ভালো করে পেট্রোলিয়াম জেলি ব্যবহার করবেন। একইভাবে অ্যালোভেরার জেলও ব্যবহার করতে পারেন। র‍্যাশ না হলেও এই শীতে পেট্রোলিয়াম জেলির প্রলেপ শিশুর ডায়াপারের ভেতরের অংশকে সুরক্ষিত রাখবে।

দিনের কিছুটা সময় শিশুকে ডায়াপার ছাড়া রাখুন। এতে ত্বক বাতাসের সংস্পর্শ পাবে। র‌্যাশ চলে যাবে তাড়াতাড়ি।

এরপরও যদি জ্বর, ফোসকা, বারবার র‍্যাশ হয়, ডায়াপার পরানো অংশ অস্বাভাবিক ফুলে যায়, তবে শিশুকে চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যেতে হবে।

এ ছাড়া বাইরে বেরোনোর সময় ডায়াপার পরালে কিছুক্ষণ পরপর পরীক্ষা করুন। ভিজে গেলেই বদলে দিন। এমনকি শিশু মলমূত্র ত্যাগ না করলেও দুই ঘণ্টা পরপর ডায়াপার বদলান। এমনিতেই মোটা প্যাডিং থাকায় তা শরীরকে গরম রাখে, নরম চামড়ার ওপর ঘষা লেগে কুঁচকির দুই পাশ ছড়ে যেতে থাকে। আমাদের দেশের আবহাওয়াতে সংক্রমণ খুবই দ্রুত ছড়ায়। তাই চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব শিশুর শরীরকে নির্ভার ও শুকনা রাখতে।

নকশা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন