পোশাকে ফাল্গুনের ফুলের রং
পোশাকে ফাল্গুনের ফুলের রংমডেল: আরোহি ও ওয়াজিয়া, পোশাক: দেশাল, ছবি: সুমন ইউসুফ

শিশুদের পোশাকের থাকুক বসন্তের রং ও নকশার ছোঁয়া।

বিজ্ঞাপন

প্রকৃতিতে ফিরছে সজীবতা। এক বছরের বন্দিজীবন থেকে নিজেরাও কি একটু একটু করে যেন মুক্ত হচ্ছি এখন। সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়েছে শিশুদের ওপর। একটা বছর স্কুল বন্ধ, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা–সাক্ষাৎ নেই। আগের মতো পিকনিক বা ঘুরতে যাওয়াও হয় না এখন। মহামারির আতঙ্কে অনেক দিন ধরে কোনো উৎসব পালিত হয়নি। বসন্তবরণে শিশুকে রঙিন সাজে সাজিয়ে কোথাও ঘোরানোর পরামর্শ এখনো দিচ্ছেন না বিশেষজ্ঞরা। তবে এদিন একটু রঙিন পোশাক পরা যেতেই পারে।

কে ক্র্যাফটের প্রধান নির্বাহী ও ডিজাইনার শাহনাজ খান মনে করেন, ভিড়ের মধ্যে না গিয়েও ফাল্গুনে শিশুদের এবার আনন্দ দেওয়া যেতে পারে। নতুন পোশাক পরিয়ে বন্ধু বা ভাইবোনদের সঙ্গে কোথাও একত্র করার পরামর্শ দেন তিনি। অন্দরে বা ছাদে ছোট পরিসরে থাকতে পারে আনন্দ আয়োজন। আর সেটা সম্ভব না হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোনো রেস্তোরাঁয় বা ঢাকা থেকে অল্প দূরে তাদের নিয়ে ঘুরে আসা যায়।

default-image

বসন্তে রঙিন

পোশাকের পসরা সাজিয়েছে দেশি ফ্যাশন হাউসগুলো। নবজাতক থেকে শুরু করে ১৩ বছরের মেয়েদের ফাল্গুনের পোশাক পাওয়া যাচ্ছে। আরামদায়ক সুতি ও লিনেনে তাদের জন্য হলুদ, লাল, বেগুনি, ম্যাজেন্টা ও উজ্জ্বল সব রঙের সমন্বয়ে স্কার্ট, টপ, সালোয়ার-কামিজ নকশা করা হয়েছে। কে ক্র্যাফটে আছে তৈরি করা শাড়িও।

এদিকে এবারই প্রথম বাচ্চাদের জন্য কুঁচি দেওয়া তৈরি করা শাড়ি ও ব্লাউজ এনেছে লারিভ। প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী মন্নুজান নার্গিস জানালেন, বসন্তের পোশাকে দেখা যাবে ফুলের নকশা। এ ছাড়া মেয়েশিশুদের জন্য তাঁরা এনেছেন ফ্রক, ঘাগড়া-টপ, টিউনিক ও টপসের ওপরে পরার জন্য শ্রাগ। উৎসবের আমেজ দেওয়ার জন্য পোশাকগুলোতে টাইডাই, পমপম, সিকোয়েন্স ও গ্লাস ওয়ার্ক রাখা হয়েছে। শিশুদের জন্য আরামদায়ক ছাপা নকশার মাস্কও পেয়ে যাবেন অনেক দোকানে।

default-image
বিজ্ঞাপন

এদিকে অনেক অনলাইনভিত্তিক বুটিকেও পাওয়া যাচ্ছে শিশুদের বসন্তের পোশাক। টুথ ফেইরী চিলড্রেনস বুটিকের স্বত্বাধিকারী ও ডিজাইনার তানিমা রহমান জানালেন, শিশুদের জন্য বসন্তের কিছু নমুনা পোশাক রেখেছেন। সেই নমুনা দেখে ক্রেতারা মাপ অনুযায়ী শিশুর পোশাক বানিয়ে দিতে পারবেন। মা-মেয়ের মিলিয়ে পোশাকও আছে তাঁদের সংগ্রহে। পছন্দের নকশা অনুযায়ী পোশাকও তাঁদের কাছ থেকে বানিয়ে নেওয়া যাবে। দুই দিন সময় দিলেই হবে। অনলাইনে বা ভিডিও কলে দেখেও তাঁদের থেকে পোশাক অর্ডার করতে পারবেন।

ফ্যাশন হাউস খুঁতে পাবেন রঙিন কাপড়ের প্যাচওয়ার্ক আর কাঁথা কাজের ঢোলা সালোয়ার, স্কার্ট-টপ ও গামছা শাড়ি। এ ছাড়া আড়ং, অঞ্জনস, শৈশবসহ দেশি প্রায় সব বুটিকেই পাওয়া যাচ্ছে ছোটদের বসন্তের পোশাক।

default-image
নকশা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন