ঘরোয়া যত্নেই দাঁত থাকবে সুন্দর।
ঘরোয়া যত্নেই দাঁত থাকবে সুন্দর। মডেল: মাসিয়াত

আপনি যেখানেই থাকুন, হাসি আর কান্নার ভাষাতেই হতে পারে মনের অব্যক্ত অনুভূতির প্রকাশ। কান্নার কথা থাক। হাসি নিয়েই না হয় খানিকটা সময়কে ‘হাসিময়’ করে তোলা যাক। বাংলা সাহিত্যে মুক্তধারা হাসির উল্লেখ আছে, আছে দেঁতো হাসির কথাও। ‘এক রত্তি মেয়ে’ বাবলারানীর দাঁতকে ‘ফুটফুটে তার দাঁত কখানি’ হিসেবে দেখা যায় কবিগুরুর ছড়ায়। সজীব হাসির জন্য মনপ্রাণ যেমন উজাড় হওয়া চাই, তেমনি চাই সুস্থ দাঁত, সুস্থ মাড়ি। মুখের দুর্গন্ধ যেন অন্যের অস্বস্তির কারণ হয়ে না দাঁড়ায়, সেটিও বিবেচ্য। সুস্থতার জন্য প্রতিদিন অন্তত দুবেলা নিয়মমাফিক দাঁত ব্রাশ করার বিকল্প নেই। রাতের খাবারের পর আর সকালের নাশতার আগে, এই দুবেলা দাঁত ব্রাশ আবশ্যক। এ ছাড়া এক বেলা নিমের ডাল দিয়ে মেসওয়াক করতে পারেন। সতেজ মুখ ও সতেজ হাসির জন্য এমন আরও কিছু উপায় জানালেন হার্বস আয়ুর্বেদিক স্কিন কেয়ার ক্লিনিকের আয়ুর্বেদিক রূপবিশেষজ্ঞ আফরিন মৌসুমী।

বিজ্ঞাপন

যোগ করি টুথপেস্টে

প্রতিবার দাঁত ব্রাশ করার সময়ে সামান্য পরিমাণে বাড়তি উপাদান মিশিয়ে নিতে পারেন টুথপেস্টের সঙ্গে। উপকরণগুলো যা হতে পারে—

  • এক কাপ পেয়ারা পাতা শুকিয়ে নিন। সঙ্গে নিন আধা কাপ লবঙ্গ। এই দুই উপকরণ ব্লেন্ড করে কাচের বোতলে রেখে দিন। নিতে পারেন টুথপেস্টের সঙ্গে।

  • নিমপাতা শুকিয়ে গুঁড়া করে নিয়েও কাচের বোতলে রেখে দিতে পারেন। একই নিয়মে কাজে লাগানো যাবে।

  • এসেনশিয়াল অয়েল কিনে নিতে পারেন বাজার থেকে (লবঙ্গ বা কমলার)। টুথপেস্টে মিশিয়ে নিন কয়েক ফোঁটা।

খাবার পর কুলকুচি

চর্বি জাতীয় খাবার খেলে অবশ্যই কুসুমগরম পানিতে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে নিয়ে সেটি দিয়ে ভালোভাবে কুলকুচি করতে হবে।

এ ছাড়া প্রতিবেলা খাবার পর কুসুমগরম পানিতে কুলকুচি করার অভ্যাস করতে পারেন। পানি গরম করার সুযোগ না হলে স্বাভাবিক তাপমাত্রার পানি দিয়েই হোক কুলকুচি।

বিজ্ঞাপন

সতেজতা এক্ষুনি

  • কিছুক্ষণের জন্য একটি লবঙ্গ বা একটি এলাচি মুখে রাখতে পারেন। ১ কাপ ফুটন্ত পানিতে একটি টি–ব্যাগ (গ্রিন টি) মিলিয়ে নিন। মিশ্রণ দিয়ে কুলকুচি করে ফেলুন।

  • কুসুমগরম পানিতে কয়েকটা লেবুর স্লাইস রেখে দিন ২-৩ মিনিট। এরপর লেবুগুলো কচলে সেই পানি দিয়ে কুলকুচি করুন।

নকশা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন