সাহ্‌রির পাতে

শুরু হচ্ছে পবিত্র রমজান মাস। রোজা রাখার আগে সাহ্‌রির সময় এমন কিছু খাওয়া উচিত, যা খুব ভারী নয়, আবার স্বাদেও মজাদার। ঝটপট বানিয়ে ফেলা যাবে, এমন পদই বেছে নেওয়া ভালো এ সময়। সে রকম কয়েকটি রেসিপি দিয়েছেন জেবুন্নেসা বেগম।

বিজ্ঞাপন

শর্ষে শজনে

default-image

উপকরণ

শজনে ডাঁটা আধা কেজি, আলু (মাঝারি) ১টি, শর্ষেবাটা ১ টেবিল চামচ, আদাবাটা আধা চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচবাটা আধা চা-চামচ, শর্ষের তেল ১ টেবিল চামচ, লবণ স্বাদমতো, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ ও কাঁচা মরিচ ফালি কয়েকটি।

প্রণালি

শজনের আঁশ ফেলে ২ ইঞ্চি আকারে টুকরা করে নিন। আলুর খোসা ফেলে লম্বা ৬ টুকরা করে কেটে নিন। পাত্রে শর্ষের তেল গরম করে আদাবাটা, রসুনবাটা, শর্ষেবাটা, হলুদগুঁড়া, কাঁচা মরিচবাটা দিয়ে ভালোভাবে মসলা কষান। ১ কাপ পানি দিয়ে শজনে ও আলু দিয়ে কয়েক মিনিট নাড়ুন। ১ কাপ পানি দিয়ে ঢেকে রাখুন, সেদ্ধ হয়ে এলে কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।

রুই মাছে আলুর ঘাঁটি

default-image

উপকরণ

রুই মাছের টুকরা ৬টি, মাঝারি আলু ৩টি, পেঁয়াজকুচি ২ টেবিল চামচ, আদাবাটা আধা চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, জিরাগুঁড়া আধা চা-চামচ, ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ, শর্ষের তেল দেড় টেবিল চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, তেজপাতা ২টি, দারুচিনি ১ টুকরা, কাঁচা মরিচ ৩–৪টি ও ধনেপাতাকুচি ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি

আলু সেদ্ধ করে আধা ভাঙা করে রাখুন। তেলে পেঁয়াজকুচি, তেজপাতা, দারুচিনি, হলুদগুঁড়া, মরিচগুঁড়া, আদাবাটা, রসুনবাটা, জিরাগুঁড়া, ধনেগুঁড়া ও লবণ দিয়ে কয়েক মিনিট কষান। রুই মাছের টুকরা দিন। মাছ কিছুটা সেদ্ধ হয়ে এলে আলু দিন। দেড় কাপ পানি দিয়ে ঢেকে দিন। আলুর ঘাঁটি রান্না হয়ে গেলে কাঁচা মরিচ, ধনেপাতাকুচি দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।

বিজ্ঞাপন

মুগ ডাল দিয়ে মুরগি

default-image

উপকরণ

মুরগি ১ কেজি, মুগ ডাল ২৫০ গ্রাম, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, মরিচগুঁড়া ১ চা-চামচ, গরমমসলা অল্প, আদাবাটা ১ টেবিল চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, জিরাগুঁড়া ১ চা-চামচ, ধনেগুঁড়া আধা চা-চামচ, তেল আধা কাপ, লবণ স্বাদমতো ও কাঁচা মরিচ ৫-৬টি।

প্রণালি

মুগ ডাল শুকনা তাওয়ায় অল্প ভেজে ধুয়ে রাখুন। তেল গরম করে নিন। পেঁয়াজকুচি বাদামি করে ভেজে নিতে হবে। এতে গরমমসলা, আদাবাটা, রসুনবাটা, জিরাগুঁড়া, ধনেগুঁড়া, লবণ, হলুদগুঁড়া, মরিচগুঁড়া কষান। এবার মুরগির টুকরা ও মুগ ডাল ঢেলে নাড়ুন। ৭-৮ মিনিট পর পরিমাণমতো পানি দিয়ে ঢেকে দিন। মাংস সেদ্ধ হয়ে এলে কাঁচা মরিচ ও গরমমসলার গুঁড়া দিয়ে কয়েক মিনিট দমে রেখে চুলা বন্ধ করে দিন।

শসা চিংড়ি

default-image

উপকরণ

চিংড়ি (মাঝারি) ২৫০ গ্রাম, শসা আধা কেজি, পেঁয়াজকুচি আধা কাপ, আদাবাটা আধা চা-চামচ, রসুনবাটা আধা চা-চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, কাঁচা মরিচ ফালি কয়েকটা, লবণ পরিমাণমতো, টমেটো ১টি, ধনেপাতাকুচি ১ টেবিল চামচ, শর্ষের তেল ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি

মাঝারি আকারের চিংড়ির মাথা ফেলে ধুয়ে রাখুন। শসার সবুজ আবরণ ও ভেতরের বিচির অংশ ফেলে লম্বা করে কেটে ধুয়ে নিন। তেল গরম করে পেঁয়াজকুচি অল্প ভেজে নিন। হলুদগুঁড়া, মরিচগুঁড়া, চিংড়ি দিয়ে কয়েক মিনিট ভাজুন, আদাবাটা, রসুনবাটা দিন। প্রয়োজনে অল্প পানি দিয়ে ভাজুন। এবার শসার টুকরা দিয়ে নাড়ুন। পরিমাণমতো পানি ও লবণ দিয়ে ঢেকে দিন। ১৫ মিনিট পর টমেটো টুকরা দিন। হয়ে গেলে ধনে পাতা, কাঁচা মরিচ ফালি দিয়ে কয়েক মিনিট পর চুলা বন্ধ করে দিন।

মসুর ডালে চালকুমড়া

default-image

উপকরণ

চালকুমড়া ১টি, মসুর ডাল ১ কাপ, আদাবাটা আধা চা-চামচ, রসুনবাটা ১ চা-চামচ, হলুদগুঁড়া ১ চা-চামচ, মরিচগুঁড়া আধা চা-চামচ, মেথি আধা চা-চামচ, লবণ পরিমাণমতো, তেল দেড় টেবিল চামচ, কাঁচা মরিচ কয়েকটি, টমেটো ১টি, ধনেপাতাকুচি ১ টেবিল চামচ ও পেঁয়াজকুচি ১ টেবিল চামচ।

প্রণালি

তেলে পেঁয়াজকুচি, মেথি, আদাবাটা, রসুনবাটা, হলুদগুঁড়া, মরিচগুঁড়া, লবণ ভালোভাবে কষান। এবার মসুর ডাল দিয়ে কয়েক মিনিট ভাজুন। প্রয়োজনে অল্প পানি দিন। ডাল কিছুটা সেদ্ধ হয়ে এলে চালকুমড়ার টুকরা দিয়ে কয়েক মিনিট নাড়ুন। প্রয়োজনমতো পানি দিয়ে ঢেকে দিন। সেদ্ধ হয়ে এলে টমেটো টুকরা দিয়ে দিন। সবশেষে কাঁচা মরিচ ও ধনেপাতাকুচি দিয়ে চুলা থেকে নামিয়ে নিন।

বিজ্ঞাপন
নকশা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন