বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

করোনার ধাক্কা সামলাতে সরকারের দেওয়া প্রণোদনা ঋণ পাওয়ার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু তখন আমার কোনো চলতি মূলধনের বিপরীতে ঋণ ছিল না (সিসি লোন)। ফলে ব্যাংক ঋণ পেতে ব্যর্থ হই। এতে যে অসুবিধা হয়, তা হচ্ছে, মাঝের সময়টাতে যখন ইউরোপের বাজার থেকে কাজের ফরমাশ পাচ্ছিলাম, তার সবটুকু নিয়ে কাজ করার মতো মূলধন আমার কাছে ছিল না। এতে আমার আর্থিক ক্ষতি হয়। সরকারি প্রণোদনা ঋণ আকারে না দিয়ে অন্য কোনো আকারে দেওয়া হলে কিছুটা সুবিধা হতো।

করোনায় একমাত্র ভালো দিক ছিল দেশীয় বাজারে পণ্যের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি হওয়া। যোগাযোগ বন্ধ থাকায় বিদেশি পণ্য আমদানিতে ব্যাঘাত ঘটেছে। এর ফলে অনেক দিন পর্যন্ত দেশীয় পণ্যের বাজার চাঙা ছিল। এই সময়টুকুর মধ্যে আমরা নতুন ক্রেতাশ্রেণি তৈরির সুযোগ পেয়েছি। এভাবে ব্যবসা কিছুটা এগিয়েছেও।

আমরা যারা মূলত রপ্তানিনির্ভর কাজ করি, তাদের বেশির ভাগেরই দেশে কোনো বিক্রয়কেন্দ্র নেই। এ ছাড়া ক্রেতাদের সঙ্গে আমরা নিজেরাই যোগাযোগ করি। এই বিষয়টির ব্যবস্থাপনা সরকারের তরফ থেকে করা গেলে আমাদের জন্য ভালো হয়। এ বছর ডিসেম্বরে জাতীয় ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) মেলায় অন্য বছরগুলোর তুলনায় ৩০০ শতাংশ বেশি বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া পণ্য রপ্তানির নতুন ক্রেতাও মিলেছে। সরকারের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকলে আশা করি, সামনের বছরে করোনার ক্ষতি পুষিয়ে সামনের দিকে এগোতে পারব।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন