বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অবশ্য যেসব ব্যাংকের গ্রাহক ভালো ছিল এবং হিসাবনিকাশ করে পরিচালনা করেছে, তারা কিছুটা সুবিধাজনক অবস্থায় ছিল। ব্যাংকিং খাতে চলতি বছর আমরা অনেকটা নমনীয় ছিলাম। বিভিন্ন সময় আমরা বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানকে ঋণ দিয়েছি। কাগজপত্রেও অনেক ক্ষেত্রে ছাড় দিয়েছি। কম গুরুত্বপূর্ণ অনেক নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ে যাইনি।
আশা করছি, সামনের বছর ভালো যাবে। তাতে হয়তো খেলাপি ঋণ কিছুটা বাড়তে পারে। তারপরও আমরা দুঃসময় কাটিয়ে উঠতে পারব। করোনা আমরা যেভাবে মোকাবিলা করেছি, তাতে অনেক কিছুই আমরা শিখেছি। সেটি কাজে লাগিয়ে আশা করছি লাভবান হওয়া যাবে।

করোনায় ব্যবসা-বাণিজ্য যেন ঘুরে দাঁড়াতে পারে, সে জন্য সরকার প্রণোদনা দিয়েছে। সেই অর্থ আমরা ব্যাংকগুলো বিতরণ করেছি। আশা করছি, যে পরিমাণ প্রণোদনার অর্থ আমরা বিতরণ করেছি, তার সবই আমরা আদায় করতে পারব। সরকার করোনার ধাক্কা যেভাবে সামাল দিয়েছে, তা অবশ্যই সাধুবাদ পাওয়ার যোগ্য। করোনার মধ্যে আমাদের অর্থনীতির বড় একটি শক্তির জায়গা ছিল প্রবাসী আয়। বিদেশে থাকা আমাদের প্রবাসী ভাইয়েরা দুই হাত উজাড় করে করোনাকালে দেশে অর্থ পাঠিয়েছেন। এ সময় অনেক প্রবাসী কাজ হারিয়ে দেশে ফেরতও এসেছেন। আমরা আশা করব, সরকার এখন সেসব প্রবাসী ভাইকে বিদেশ তথা তাঁর কর্মস্থলে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে উদ্যোগ নেবে।

এ ছাড়া অভ্যন্তরীণ যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি ঘটাতে হবে। খুলনা থেকে চট্টগ্রামে কাঁচামাল পাঠাতে হলে এখনো দুই দিন লেগে যায়। পদ্মা সেতু হলে যোগাযোগব্যবস্থার কিছুটা উন্নতি হবে। কিন্তু তার আগেই যদি যোগাযোগব্যবস্থার উন্নতি ঘটানো যায়, তাহলে দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের জন্য তা সুফল বয়ে আনবে। রাজধানীর ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নতি করতে না পারলে ব্যবসা-বাণিজ্য মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্ত হবে। তাই আমার প্রত্যাশা থাকবে ট্রাফিক ব্যবস্থার উন্নতির।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন