default-image

কোভিড-১৯–এ সারা বিশ্ব পর্যুদস্ত হলেও শতকোটিপতিরা এরই মধ্যে তাঁদের সম্পদ বাড়িয়েই চলেছেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক প্রতিষ্ঠান ইনস্টিটিউট অব স্টাডিজ নতুন এক প্রতিবেদন প্রকাশ করে বলেছে, গত মার্চ থেকে এ পর্যন্ত মার্কিন শতকোটিপতিদের সম্পদ বেড়েছে এক ট্রিলিয়ন ডলার (এক লাখ কোটিতে এক ট্রিলিয়ন)। সম্পদ বৃদ্ধির পরিমাণ ৩৪ শতাংশ।

অথচ ২০০৮ সালের অর্থনৈতিক মন্দার সময় পরিস্থিতি ছিল ভিন্ন। সে সময় ফোর্বস-৪০০–এর ধনীরা যে পরিমাণ সম্পদ হারিয়েছিল, তা উঠিয়ে আনতে তিনটি বছর লেগেছিল। প্রতিবেদন অনুযায়ী, বেশির ভাগ শীর্ষ ধনীর সম্পদ বাড়লেও কয়েকজনের সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে যথেষ্ট বেশি। যেমন গত ১৭ মার্চ থেকে ২৪ নভেম্বর পর্যন্ত সময়ে আমাজনের জেফ বেজোসের সম্পদ বেড়েছে ৬৯ দশমিক ৪ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। জেফ বেজোস এখন বিশ্বের শীর্ষ ধনী, যাঁর সম্পদের পরিমাণ ১৮২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার।

বিজ্ঞাপন
default-image
তবে সম্পদ বৃদ্ধির দিক থেকে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন টেসলা ও স্পেস এক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এলন মাস্ক। করোনাকালে তাঁর সম্পদ বেড়েছে ৪১৪ শতাংশ। আর এতে তাঁর সম্পদ ২৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার থেকে এক লাফে বেড়ে হয়েছে ১২৬ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার।

তবে সম্পদ বৃদ্ধির দিক থেকে সবাইকে ছাড়িয়ে গেছেন টেসলা ও স্পেস এক্সের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা এলন মাস্ক। করোনাকালে তাঁর সম্পদ বেড়েছে ৪১৪ শতাংশ। আর এতে তাঁর সম্পদ ২৪ দশমিক ৬ বিলিয়ন ডলার থেকে এক লাফে বেড়ে হয়েছে ১২৬ দশমিক ২ বিলিয়ন ডলার। তিনি এখন বিল গেটসের সঙ্গে বিশ্বের দ্বিতীয় শীর্ষ ধনী।

টেসলার বাজারমূল্য এখন ৫০ হাজার কোটি ডলার। এ বছর টেসলার শেয়ারের দাম ৫২৪ শতাংশ বেড়েছে। মাস্কের সম্পদের তিন-চতুর্থাংশই টেসলার শেয়ারের বদৌলতে, যে শেয়ারের দাম তাঁর অন্য কোম্পানি স্পেস এক্সপ্লোরেশন টেকনোলজিসের (স্পেস এক্স) শেয়ারের চার গুণ। স্পেস এক্স সম্প্রতি নাসার সঙ্গে বড় ধরনের চুক্তি করেছে। একাধারে তিনি মাস্ক ফাউন্ডেশনেরও চেয়ারম্যান, যে প্রতিষ্ঠান নবায়নযোগ্য জ্বালানিবিষয়ক গবেষণায় তহবিল দিয়ে থাকে।

মন্তব্য করুন