বিজ্ঞাপন

আমাদের দেশে কোম্পানি পর্যায়ে করপোরেট করহার অনেক বেশি। এ করহার কমানো উচিত। একসময় শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয়, এমন কোম্পানির ক্ষেত্রে করহারের ব্যবধান ছিল ১০ শতাংশের মতো। এখন সেই ব্যবধানটি অনেক কমে গেছে। সার্বিকভাবে করপোরেট করহার কমানোর পাশাপাশি তালিকাভুক্ত ও তালিকাভুক্ত নয়, এমন কোম্পানির মধ্যেকার করহারের ব্যবধানটাও বাড়ানো উচিত। এতে ভালো ভালো কোম্পানি শেয়ারবাজারে তালিকাভুক্ত হতে উৎসাহিত হবে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে কর কমিয়ে ব্যবসা-বাণিজ্য প্রসারের সুযোগ তৈরি করা হয়। ব্যবসা-বাণিজ্যের যত বেশি প্রসার হবে সরকারের রাজস্ব আয় তত বাড়বে। আমাদের দেশে উল্টোটা। করের চাপেই ব্যবসা করা দায়। করের এমন সব ব্যবস্থা এ দেশে রয়েছে যেখানে লাভ হোক বা লোকসান—কর দিতেই হবে। কিন্তু আমি চাই, আগামী বাজেটে সরকার কর কমিয়ে ব্যবসায়ী ও শিল্পোদ্যোক্তাদের ব্যবসা ও শিল্প প্রসারের সুযোগ করে দেবেন।

শেয়ারবাজারের লেনদেনের ওপর অগ্রিম করের কথায় ধরা যাক। শেয়ার বিক্রি করে লাভ হোক বা লোকসান লাখে ৫০ টাকা অগ্রিম কর কেটে রাখা হয়। কেনাবেচা উভয় ক্ষেত্রেই এ কর কাটা হয়। দেখা গেল বছর শেষে কোনো ব্রোকারেজ হাউস লোকসান করেছে কিন্তু তার কাছ থেকে আগেই বিপুল পরিমাণ অগ্রিম কর কেটে নেওয়া হয়েছে। এতে ব্যবসার সক্ষমতা কমে যায়। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করের হিসাব করা হয় কোম্পানির লাভ-লোকসানের ভিত্তিতে। পার্শ্ববর্তী দেশ ভারতে শেয়ারবাজারে লেনদেন পর্যায়ে লাখে ৫ টাকা কর নেওয়া হয়। আমরা চাই বাংলাদেশেও সেটি কমানো হোক।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন