default-image

দুই বছরে আমরা জনগোষ্ঠীর বড় একটা অংশকে গ্রাহক হিসেবে পেয়েছি। এই সেবার ৩০-৩২ শতাংশ এখন নগদের। আমরা নগদকে সব ধরনের আর্থিক সেবায় যুক্ত করতে চাই। পাঁচ বছর পর আমরা দেখব প্রতিটি বাড়িতে একটি নগদ হিসাব আছে, যা দিয়ে সব ধরনের আর্থিক চাহিদা পূরণ করা যাবে। এটা এখনকার মতো এমএফএস থাকবে না। এর মাধ্যমে কেনাকাটা, বিল পরিশোধের পাশাপাশি ঋণ বিতরণ, শেয়ার ব্যবসার মতো সেবাকে যুক্ত করতে চাই। নিয়ন্ত্রক সংস্থার অনুমোদন পেলেই কেবল এসব সেবা চালু করা হবে। ভবিষ্যতে নগদ হবে একটি ডিজিটাল ব্যাংকের মতো।

আমার কাছে দুই বছরে নগদের সাফল্য হলো ২০ টাকার পরিবর্তে খরচ ১০ টাকায় নিয়ে আসা। দুই বছরে আমাদের প্রতিদিন কষ্ট করতে হয়েছে। যখন ডিজিটাল কেওয়াইসি আনলাম, অনেকেই বিরোধিতা করেছিলেন। এখন সবাই ডিজিটাল কেওয়াইসি চালু করল। এখন মোবাইল অপারেটরের কাছে দেওয়া তথ্য থেকেই হিসাব খোলা যাচ্ছে। যেকোনো ফিচার ফোন দিয়েই নগদ হিসাব খোলা যাচ্ছে। আমরা অপারেটর থেকে স্বয়ংক্রিয়ভাবে গ্রাহকের অনুমোদন সাপেক্ষে তথ্য সংগ্রহ করে নিচ্ছি।

বিজ্ঞাপন

শিগগিরই নগদের ৫১ শতাংশ মালিকানা নিচ্ছে ডাক বিভাগ। বাকি ৪৯ শতাংশ শেয়ার থাকবে বেসরকারি খাতের ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের হাতে। এর মধ্যে বিদেশি অংশগ্রহণও থাকবে। এত দিন নগদের মুনাফার ৫১ শতাংশ পেত ডাক বিভাগ। তবে মালিকানা ও পরিচালনায় কোনো অংশগ্রহণ ছিল না। এসব প্রক্রিয়া শেষে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে চূড়ান্ত অনুমোদন পাবে নগদ।

সামনের দিনে ভালো ভালো সেবা আনতে বিদেশি পার্টনারও লাগবে। এ নিয়ে আমরা বিশ্বের বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছি। আগামী জুনের মধ্যে বড় কিছু ঘোষণা আসবে বলে আশা করি।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন