বিজ্ঞাপন

নতুন বাজেটে ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাদের জন্য প্রণোদনা প্যাকেজের পরিসর বৃদ্ধি এবং তা পরিপূর্ণভাবে বাস্তবায়নের সহজ উপায়ও বাতলে দেওয়া উচিত। স্থানীয় ক্ষুদ্র ও অতি ক্ষুদ্র শিল্পের জন্য অনতিবিলম্বে কার্যকর আর্থিক ও নীতিগত সহায়তা দেওয়া প্রয়োজন। করোনার ধাক্কা মোকাবিলায় স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় বৃদ্ধির পাশাপাশি শিক্ষায়ও জোর দিতে হবে। বাজেট বরাদ্দ যেন কার্যকর হয়, তা নিশ্চিত করতে হবে। রপ্তানি আয়ে বৈচিত্র্য আনার জন্য শুধু তৈরি পোশাকশিল্প খাত নয়, অন্যান্য পণ্য উৎপাদন এবং রপ্তানি খাতের জন্যও এই বাজেটে দিকনির্দেশনা থাকা চাই। নতুন নতুন রপ্তানি বাজার খুঁজতে হবে। বিদেশে বাংলাদেশের মিশনগুলোকে রপ্তানি আয়ের টার্গেট দেওয়া যেতে পারে এবং এর পরিপ্রেক্ষিতে তাদের বার্ষিক কর্মক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে ভালো জায়গায় বদলি, প্রণোদনার ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

ক্ষুদ্র উদ্যোক্তা ও ব্যবসায়ীদের বার্ষিক টার্নওভার বা আয় পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত করমুক্ত রাখা হোক। চীন, ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া, থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারে করপোরেট কর হচ্ছে ২০ শতাংশ। সেটি বিবেচনায় নিয়ে আমাদেরও করপোরেট কর কমানো যেতে পারে। নতুন উদ্যোক্তাদের পাঁচ বছর পর্যন্ত করের আওতার বাইরে রাখার প্রস্তাব করছি। করমুক্ত ব্যক্তিগত আয়ের সীমা বাড়িয়ে পাঁচ লাখ টাকা করার পাশাপাশি আয়করের হার পুনর্নির্ধারণ করা হোক। কালোটাকা, মানে অবৈধ টাকা সাদা করার কোনো উপায় যেন রাখা না হয়। কারণ, তা দুর্নীতিকে উৎসাহিত করে। আর এটি প্রধানমন্ত্রীর দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির সম্পূর্ণ পরিপন্থী।

দেশে অপেক্ষাকৃত সন্তোষজনক হারে অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জিত হওয়া সত্ত্বেও আয়বৈষম্য বাড়ছে। আয়বৈষম্য কমানোর একটা উপায় হতে পারে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডের স্থানীয়করণ বা বিকেন্দ্রীকরণ। অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে হবে। জেলাওয়ারি বাজেট দেওয়ার বিষয়টি আগের অর্থমন্ত্রী অনেকবার বলেছেন, কিন্তু পুরোদমে চালু করে যেতে পারেননি। জেলাওয়ারি বাজেট এবং এলাকাভিত্তিক কাঁচামালের প্রাপ্যতা অনুযায়ী শিল্প স্থাপন করে স্থানীয় মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা যেতে পারে।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন