বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এসব কারখানায় কী তৈরি হয়, তার একটি হিসাব দেওয়া যাক। যদিও এসব নাম সাধারণ পাঠকের কাছে একেবারেই অপরিচিত। তবে ফার্নিচার শিল্পের সঙ্গে জড়িত লোকজনের কাছে পরিচিত। এভারেস্টের কারখানায় তৈরি হয় বিভিন্ন আকৃতির জয়েন্টার প্লেনার, থিকচেন প্লেনার, সিজেল মোটাইজার, সার্কুলার ‘স’, মোল্ডার মেশিন, টু-ইন-ওয়ান জয়েন্টার ও থিকনেচার, থ্রি ইন ওয়ান জয়েন্টার-থিকনেচার-সার্কুলার এবং ফোর ইন ওয়ান জয়েন্টার-থিকনেচার-সার্কুলার-সোজা মোল্ডিং।

কারখানার শ্রমিক সাইদুল ইসলাম বলেন, প্রতিনিয়ত নতুন নতুন কাজের আদেশ আসে। এ জন্য সব সময় আমাদের কাজ চলতে থাকে। এসব যন্ত্র ছাড়া এখন আসবাব তৈরি করা যায় না।

আর্থিক প্রতিষ্ঠান আইডিএলসির কাছে আমরা ভালো গ্রাহকদের তালিকা চেয়েছিলাম। তারাই খোঁজ দিয়েছিল এভারেস্ট উড ওয়ার্কিংয়ের। ব্যাংক থেকে তারা ঋণ নিয়েছে, নিয়মিত শোধও করছে।

এভারেস্ট উডের মালিক মো. ইউসুফ বলেন, ‘আগে নিজ হাতে যন্ত্রপাতি বানাতাম। এখন শতাধিক শ্রমিক কাজ করেন। এমন কোনো জেলা বা থানা নেই, যেখানে আমার যন্ত্রপাতি ব্যবহার হয় না।’

২০০৫ সালের আগে নিউমার্কেটে মালামাল সরবরাহের কাজ করতেন তিনি। ওই বছরই প্রস্তুতি ছাড়া আসবাব তৈরির যন্ত্রপাতি বানানোর কাজ হাতে নেন। কাগজে যন্ত্রের ছবি এঁকে সেই আদলে ছোট ছোট যন্ত্র তৈরির কাজ শুরু করেন। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি। ধীরে ধীরে ছোট কারখানা থেকে বড় কারখানা হয়েছে। আগে যন্ত্রপাতি যেত নির্দিষ্ট এলাকায়, এখন ছড়িয়ে পড়েছে সারা দেশের বিভিন্ন প্রান্তে। কাঠের আসবাব কারিগরদের কাছে পরিচিত নাম এভারেস্ট।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন