default-image

বাংলাদেশে মাথাপিছু মোটরসাইকেল ব্যবহার এখনো অনেক কম, বিশেষ করে চীন, ভারত, ভিয়েতনাম ও থাইল্যান্ডের মতো দেশগুলোর তুলনায়। এর মানে হলো এখানে ভালো করার বড় সুযোগ রয়েছে। মানুষ ও দেশ এগিয়ে যায় যোগাযোগের দিক দিয়ে এগিয়ে গেলে। মানুষের চলাচলের ক্ষেত্রে সহজলভ্য বাহন মোটরসাইকেল।

করোনার মধ্যে রাইড শেয়ারিং বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের ব্যবস্থা করে এটা কিন্তু চালু রাখা যেত। মোটরসাইকেল বিক্রি বাড়াতে রাইড শেয়ারিং ভূমিকা রাখছিল। আবার অনেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকার ব্যবস্থা করছিলেন।

বাংলাদেশে বছরে ১৫ থেকে ২০ লাখ মোটরসাইকেল বিক্রির সুযোগ রয়েছে। আমরা বছরে সাড়ে পাঁচ লাখ মোটরসাইকেল বিক্রির একটা পর্যায়ে গিয়েছিলাম। তবে করোনার কারণে তা কমেছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০২০ সালকে হালকা প্রকৌশলশিল্প বছর ঘোষণা করেছিলেন। কিন্তু আমরা সুযোগটি কাজে লাগাতে পারিনি।

বিজ্ঞাপন

মোটরসাইকেল খাতে কোনটা উৎপাদন হিসেবে স্বীকৃতি পাবে, কোনটা আধা উৎপাদন, কোনটা সংযোজন—এসব বিভ্রান্তি নিয়ে শিল্প মন্ত্রণালয় ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) মধ্যে ঠেলাঠেলি চলতেই থাকে। সিদ্ধান্ত হয়নি। একজন উদ্যোক্তা যখন কারখানা করে ফেলেন, তখন নীতি যদি অস্পষ্ট হয়, বারবার পরিবর্তনের আশঙ্কা থাকে, তখন কিন্তু বড় সংকট তৈরি হয়। তাই সরকারের উচিত পাঁচ বছরের জন্য নীতিমালা ঘোষণা করা।

করোনার মধ্যে রাইড শেয়ারিং বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতের ব্যবস্থা করে এটা কিন্তু চালু রাখা যেত। মোটরসাইকেল বিক্রি বাড়াতে রাইড শেয়ারিং ভূমিকা রাখছিল। আবার অনেকে মোটরসাইকেল চালিয়ে জীবিকার ব্যবস্থা করছিলেন।

সহযোগী শিল্পে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে শিল্প মন্ত্রণালয়কে সমন্বয়কের ভূমিকা নিতে হবে। দেখা যাচ্ছে, একজন চাকা তৈরির জন্য বিনিয়োগ করছে। অন্যরাও একই কাজ করছে। এতে অতি বিনিয়োগের আশঙ্কা তৈরি হয়। আবার নীতিমালা বলছে, মোটরসাইকেল উৎপাদকেই যন্ত্রাংশ তৈরি করতে হবে। এটা কোনো দেশে হয়নি। সবাই সহযোগী শিল্পের মাধ্যমে সংগ্রহ করে।

শহরে চলাচলের জন্য স্কুটার খুবই উপযোগী নারী-পুরুষ সবার জন্য। স্কুটারকে উৎসাহ দেওয়া দরকার। ভবিষ্যতে বৈদ্যুতিক মোটরসাইকেল আসবে, সেটাও নীতিমালায় আনতে হবে।

সব মিলিয়ে মোটরসাইকেল বাংলাদেশে বড় শিল্প হবে, আমরা রপ্তানিতেও যেতে পারব।

বিজ্ঞাপন
প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন