বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image

পর্যটন-সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সিলেটে ধর্মীয় ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকেন্দ্রিক দুই ধরনের পর্যটন রয়েছে। সিলেট নগর ও শহরতলিতে অবস্থিত হজরত শাহজালাল (রহ.) ও হজরত শাহপরান (রহ.)-এর মাজার এবং জেলার গোলাপগঞ্জে অবস্থিত শ্রীশ্রী চৈতন্য মহাপ্রভুর পৈতৃক ভিটা দেখতে দেশি-বিদেশি অনেক পর্যটক। এর বাইরে সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের সাদা পাথর, গোয়াইনঘাটের জাফলং, মায়াবী ঝরনা, বিছনাকান্দি ও রাতারগুল, জৈন্তাপুরের নীল পানির লালাখাল; সুনামগঞ্জের হাওর-বাঁওড়; মৌলভীবাজারের টিলা ও চা-বাগান এবং হবিগঞ্জের রেমা-কালেঙ্গা ও সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানসহ চার জেলার অন্তত শতাধিক পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটকেরা আসেন।

স্থানীয় প্রশাসন ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলাপ করে জানা গেছে, সিলেটের চার জেলায় অন্তত শতাধিক পর্যটনকেন্দ্র রয়েছে। স্বাভাবিক সময়ে বছরে ২০ থেকে ২৫ লাখ পর্যটক এসব পর্যটনকেন্দ্র ভ্রমণ করেন। এর মধ্যে সিলেট জেলায় আসেন ১২ থেকে ১৩ লাখ। বাকি জেলাগুলোর মধ্যে মৌলভীবাজার ও সুনামগঞ্জে ৫ লাখ করে ১০ লাখ এবং হবিগঞ্জে প্রায় ২ লাখ।

default-image

প্রতিদিন আয় চার কোটি

ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, পর্যটকদের আগমনে পর্যটনসংশ্লিষ্ট ব্যবসাও এখন চাঙা হতে শুরু করেছে। হোটেল-রিসোর্ট, রেস্তোরাঁর পাশাপাশি পর্যটন ব্যবসার সঙ্গে জড়িত এ এলাকার মণিপুরি পোশাক, চা-পাতা, সাতকরা, আচারসহ স্থানীয় পণ্যের বেচাকেনা বেড়েছে। এ ছাড়া পর্যটনকেন্দ্রিক কয়েক হাজার নৌ শ্রমিকও এখন ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

সিলেটের চার জেলায় পর্যটন খাত থেকে প্রতিদিন কী পরিমাণ আয় হয়ে থাকে, এ-সংক্রান্ত সঠিক কোনো পরিসংখ্যান ব্যবসায়ীদের কাছে নেই। তবে স্থানীয় চেম্বারের সঙ্গে জড়িত ব্যবসায়ীদের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে আয়ের একটা সম্ভাব্য ধারণা পাওয়া গেছে। তাঁরা বলছেন, করোনার আগে সিলেটের পর্যটন খাত থেকে প্রতিদিন গড়ে এক কোটি টাকা আয় হতো। মৌলভীবাজারে এক থেকে দেড় কোটি এবং সুনামগঞ্জ ও হবিগঞ্জ মিলিয়ে আরও প্রায় দেড় কোটি টাকা আয় হতো। সব মিলিয়ে বিভাগে গড়ে প্রতিদিন আয়ের পরিমাণ ছিল চার কোটি টাকা।

মৌলভীবাজার চেম্বারের সভাপতি কামাল হোসেন বলেন, এখন পর্যটন খাত পুনরায় চাঙা হতে শুরু করেছে। নাজুক যোগাযোগব্যবস্থার কারণে মৌলভীবাজারের পর্যটন খাত ধুঁকছে। সরকারের সংশ্লিষ্টদের এদিকে নজর দেওয়া উচিত।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন