বিজ্ঞাপন

করোনার ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে সরকার বিপুল অঙ্কের প্রণোদনা তহবিল দিয়েছিল। তবে আমাদের মতো ছোট ব্যবসায়ীরা তার সুবিধা পাইনি। ব্যাংক হিসাব না থাকায় সরকারি প্রণোদনা প্যাকেজ থেকে ঋণ পেতে আবেদনই করার সুযোগ পাননি বেকারিমালিকেরা। আবার বেশ কয়েকবার গ্যাস ও বিদ্যুৎ বিল পরিশোধে কিস্তি সুবিধা চেয়ে আবেদন করেছিলাম। কিন্তু কাজের কাজ কিছু হয়নি। সব মিলিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো অসহায় অবস্থায় আছে। আমাদের স্বস্তির জায়গা একটি, অভিজ্ঞ কর্মচারীরা আমাদের ছেড়ে যাননি। অনেকেই শুধু খাওয়া খরচ ও বাড়িতে পাঠানোর জন্য অল্প কিছু টাকা নিয়ে বেকারিমালিকদের টিকে থাকতে সহযোগিতা করছেন।

হস্তচালিত বেকারি খাতকে টিকিয়ে রাখতে হলে প্রণোদনা দরকার। ব্যাংক ছাড়া অন্য কোনোভাবে প্রণোদনা তহবিলের ঋণ বিতরণের বিশেষ ব্যবস্থা করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আগামী বাজেটে সুস্পষ্ট একটি নির্দেশনা থাকা দরকার। প্রয়োজনে সমিতির তরফ থেকে প্রতিষ্ঠানগুলোর ঋণ পরিশোধের গ্যারান্টি দেওয়া হবে। কিন্তু প্রণোদনা না পেলে বেকারি খাতের ১০-১২ লাখ শ্রমিক-কর্মচারী বেকার হওয়ার শঙ্কায় পড়বেন।

উৎপাদন পর্যায়ে ১৫০ টাকা পর্যন্ত রুটি, বিস্কুট ও কেকের ওপর ভ্যাটমুক্ত সুবিধা রয়েছে। আগামী বাজেটেও এটি অব্যাহত রাখা প্রয়োজন। তা না হলে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো টিকতে পারবে না। আগে বিক্রয় পর্যায়ে ৮০ লাখ টাকা বার্ষিক লেনদেন পর্যন্ত ভ্যাটমুক্ত ছিল। তবে এসআরওর মাধ্যমে বর্তমানে ৫ শতাংশ হারে ভ্যাট নেওয়া হচ্ছে। এটি বন্ধ করা দরকার। আমাদের খাতের লোকবলের ৯০ শতাংশের অক্ষরজ্ঞান নেই। তাঁদের পক্ষে খাতা-কলমে হিসাবপত্র লেখা এবং ভ্যাটসংক্রান্ত কাগজপত্র প্রস্তুত ও সংরক্ষণ সম্ভব নয়।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন