বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

চলতি বছর শহরের তুলনায় গ্রাম ও শহরতলিতে আমাদের পণ্যের বিক্রি বেড়েছে। দেশের রেফ্রিজারেটরের বাজারের প্রায় ৭৫ শতাংশ ওয়ালটনের দখলে। চলতি বছর সেটি আরও বেড়েছে। বাকি পণ্যগুলোও ভালো বিক্রি হচ্ছে। শীতাতপনিয়ন্ত্রিত যন্ত্র আগে বিলাসবহুল পণ্য হলেও, এখন অনেকেই পণ্যটি কিনছেন। আগে গ্রামগঞ্জের লোকজন ওয়াশিং মেশিন ব্যবহার না করলেও, এখন করছেন। লিফটের বিক্রিও বেড়েছে। চলতি বছর এই পণ্যে ক্রেতাদের আস্থার জায়গা শক্তিশালী হয়েছে। সব মিলিয়ে ব্যবসা ভালো। কিন্তু কাঁচামাল ও জাহাজভাড়া বেড়ে যাওয়ায় মূলধনের ওপর যেন চাপ না পড়ে, সে জন্য বিশেষ কোনো পণ্য বাজারে ছাড়া হয়নি। তবে ওয়ালটনের নিয়মিত পণ্যের ইনোভেশন ও ডেভেলপমেন্ট চলমান।

বর্তমানে অমিক্রন নিয়ে দুশ্চিন্তা আছে। তবে পাশাপাশি সম্ভাবনাও দেখছি। কারণ, দিন দিন ইলেকট্রনিক পণ্যের চাহিদা বাড়ছে। প্রযুক্তিপণ্যের দিকে মানুষের নির্ভরশীলতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। করোনা ও কাঁচামালের সরবরাহব্যবস্থা ছাড়া অন্য কোনো চ্যালেঞ্জ আপাতত সামনে নেই।

ব্যবসার বর্তমান গতি আগামী বছর ধরে রাখতে হলে সরকারের নীতিসহায়তা হুটহাট পরিবর্তন করা যাবে না। কারণ, টানা দুটি বছর আমরা সেই অর্থে মুনাফা করতে পারিনি। মুনাফা কমিয়ে ব্যবসা করাটা তো আর ব্যবসা না। তবে প্রযুক্তিপণ্যের ওপর সরকারের সুনজর আছে। আশা করছি আগামী বছরও সেটি অব্যাহত থাকবে।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন