দ্বিতীয় ধাপে যেতে হবে বাংলাদেশ ব্যাংকের কাছে। সেখানে বিডার কাছে যে নিবন্ধন মিলেছে, সেটা জানানোই মূল উদ্দেশ্য। কারণ বৈদেশিক লেনদেনের সুবিধার জন্য এটি করতে হয়।

তৃতীয় ধাপে আসবে করের নিবন্ধন নেওয়া। ব্যবসায় প্রতিষ্ঠানের সাধারণত দুই ধরনের নিবন্ধন দেয় জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর)। একটি হলো ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান হিসেবে করদাতা শনাক্তকরণ নম্বর, আরেকটি হলো ব্যবসায় শনাক্তকরণ নম্বর (বিআইএন)। বিদেশি প্রতিষ্ঠানগুলো সাধারণত কোম্পানি হিসেবে এ দেশে নিবন্ধিত হয়। পণ্য বা সেবা, এমনকি খাতের ব্যবসা হলে অবশ্যই ভ্যাট নিবন্ধন নিতে হবে। সংশ্লিষ্ট কর সার্কেল ও ভ্যাট কার্যালয়ে গিয়ে এসব সনদ নিতে হবে। কর কার্যালয়ের এসব কাজ করতে কয়েক দিন সময় লেগে যেতে পারে।

তৃতীয় ধাপে যেতে হবে যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মগুলোর নিবন্ধকের (আরজেএসসি) কার্যালয়ে। যে নামে কোম্পানি বা ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান, সেটার অনাপত্তি নিতে হবে। প্রতিষ্ঠানের কাঙ্ক্ষিত নাম আরজেএসসির ওয়েবসাইটের মাধ্যমে অনলাইনে যাচাই করা যায়। আরজেএসসির নিবন্ধনের কাজ শেষ হয়ে গেলে শেষ ধাপে ট্রেড লাইসেন্স নিতে হবে। এগুলো সাধারণত সিটি করপোরেশন, পৌরসভা, ইউনিয়ন পরিষদসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে নিতে হয়।

মনে রাখবেন, অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষ বা হাইটেক পার্কে বিনিয়োগ করতে হলে সেখানে প্রথমে যেতে হবে। সেখানেও ওয়ানস্টপ সার্ভিস আছে।

এসব কাজ করতে কত দিন লাগে, এর কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা নেই। তবে ২০২০ সালের বিশ্বব্যাংকের সহজে ব্যবসা করার সূচকে বলা হয়েছে, ব্যবসা শুরু করার কাজে এসব ধাপ সম্পন্ন করতে গড়ে ১৯ দিন সময় লাগে।

ব্যবসা শুরু করার সূচকে ১৯০টি, বাংলাদেশের অবস্থান ১৩১তম। তবে সার্বিকভাবে ব্যবসায় পরিবেশে বাংলাদেশের অবস্থান ১৬৮তম।

বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন