বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: রেমিট্যান্স আনতে আপনারা কী কী বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছেন?

মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা: আয় আনতে সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব আমিরাত, ওমান, সিঙ্গাপুরসহ বেশ কিছু দেশে আমাদের কর্মকর্তারা কাজ করছেন। এসব দেশে ২০ জন কর্মী নিয়োজিত। অতীতে এ সংখ্যা আরও বেশি ছিল। বর্তমানে ভিসা জটিলতার কারণে কিছুটা কমেছে। তাঁরা প্রবাসী বাংলাদেশিদের ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রেরণে উৎসাহিত করছেন। এ ছাড়া প্রবাসীদের জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ১৪৭টি রেমিট্যান্স সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে ইসলামী ব্যাংকের চুক্তি রয়েছে। প্রবাসীরা এসব প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে স্বল্প ব্যয়ে, দ্রুত ও নিরাপদে তাঁদের কষ্টার্জিত অর্থ পাঠাতে পারছেন। এ ছাড়া দ্রুত রেমিট্যান্স সেবা প্রদানের জন্য বিভিন্ন এক্সচেঞ্জ হাউসের সঙ্গে এপিআই (অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রাম ইন্টারফেস) স্থাপন করা হয়েছে। এ ব্যাংকে রয়েছে শক্তিশালী সেন্ট্রাল রেমিট্যান্স প্রসেসিং ব্যবস্থা, যা ফরেন রেমিট্যান্স সার্ভিসেস ডিভিশন নামে পরিচিত। এখানে আমাদের প্রশিক্ষিত জনবল ২৪ ঘণ্টা নিরলস কাজ করছে। সারা দেশে ব্যাংকের ৩৭৪টি শাখা ও ১৯৪টি উপশাখা, ২ হাজার ৪১৫টি এজেন্ট ব্যাংকিং আউটলেট ও ২ হাজার সিআরএম/এটিএম বুথের মাধ্যমে সুবিধাভোগীদের জন্য রেমিট্যান্স গ্রহণকে সহজতর করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্দেশনা অনুযায়ী এজেন্ট ব্যাংকিং ইউনিটে বায়োমেট্রিক পদ্ধতি ব্যবহার করে রেমিট্যান্স সেবা প্রদান করছে ইসলামী ব্যাংক।

প্রথম আলো: বর্তমান সময়ে প্রবাসী আয় বৃদ্ধির কী কী কারণ?

মুহাম্মদ মুনিরুল মওলা: বর্তমান সরকারের সার্বিক সহযোগিতায় আয় বাড়ছে। সরকারি ২ শতাংশ প্রণোদনা বিতরণ এবং রেমিট্যান্স-বান্ধব নীতিমালা আয় বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। ২০২০ সালে ইসলামী ব্যাংকের মাধ্যমে আসা রেমিট্যান্সের পরিমাণ ছিল ৪৮ হাজার ৬২৭ কোটি টাকা। ২০২০ সালে বৈশ্বিক মহামারিতেও রেমিট্যান্স আয়ের প্রবৃদ্ধি ছিল ২১ দশমিক ৬১ শতাংশ। সেখানে ইসলামী ব্যাংকের প্রবৃদ্ধি ১৯১ দশমিক ৭৫ শতাংশ। ২০২১ সালের প্রথম ৬ মাসে এ ব্যাংক ২৮ হাজার ৯১৬ কোটি টাকা রেমিট্যান্স আহরণ করেছে। বর্তমানে ইসলামী ব্যাংকের রেমিট্যান্স আহরণে মার্কেট শেয়ার এক-তৃতীয়াংশের বেশি। প্রবাসীদের জন্য ইসলামী ব্যাংক প্রবাসী বিনিয়োগ প্রকল্প চালু করেছে, যা এ ব্যাংকের প্রতি প্রবাসীদের আকর্ষণ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন