default-image

করোনার দ্বিতীয় ঢেউ শুরু হওয়ার পর থেকে দেশে মানুষের চলাচল ও দোকানপাট খোলায় বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। কিছুদিন হলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে দোকানপাট খোলার সুযোগ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আমরা দেখছি, মানুষের মধ্যে ব্যয় করার প্রবণতা একটু কমেছে।

আমাদের ক্রেতারা মূলত মধ্যম আয়ের মানুষ। তাঁরা অনিশ্চয়তার মধ্যে রয়েছেন। ফলে আমরা যতটা বিক্রির আশা করেছিলাম, তা হচ্ছে না। তবে চলতি বছরের প্রথম প্রান্তিকে (জানুয়ারি-মার্চ) গত বছরের চেয়ে একটু বেশি বিক্রি হয়েছে। মার্চে এসে বিক্রি কমতে থাকে।

আমরা গত বছর জুন থেকে কয়েক মাসের জন্য দেখেছিলাম, নতুন শ্রেণির ক্রেতা তৈরি হয়েছে। তাঁরা করোনা পরিস্থিতিতে গণপরিবহন এড়িয়ে চলার জন্য তুলনামূলক সহজলভ্য বাহন হিসেবে মোটরসাইকেল কিনছিলেন। এখনো কিছু ক্রেতা সেই চিন্তায় মোটরসাইকেল কিনছেন, তবে আগের মতো ততটা নয়।

বিজ্ঞাপন

সব মিলিয়ে মোটরসাইকেল খাত যে প্রবৃদ্ধির পরিকল্পনা করেছিল, তা ব্যাহত হয়েছে। আমরা পেছনে পড়ে গেছি। শুধু বাংলাদেশ নয়, সারা পৃথিবীতেই ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত। ভারতে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ সরবরাহব্যবস্থায় বড় ধাক্কা দিতে পারে। জনগণের একটি বড় অংশকে টিকা না দেওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উত্তরণ ঘটবে না। তাই ধরে নেওয়া যায়, কয়েক বছর আমাদের করোনা নিয়েই থাকতে হবে।

আমার মনে হয়, মোটরসাইকেল খাত নিয়ে সরকারের যে নীতিসহায়তা পরিকল্পনা ছিল, তা পুনর্মূল্যায়ন করতে হবে। যেসব সহায়তা একটি নির্দিষ্ট সময় পর শেষ হয়ে যাবে, তা করোনার বিষয় মাথায় রেখে আরেকটু বাড়ানোর বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে। কেউ যদি কর অবকাশ পেয়ে থাকেন, তাঁর মেয়াদ দুই বছর বাড়িয়ে দিতে হবে। এখন কারখানা করা ও সম্প্রসারণের ক্ষেত্রে বিশেষজ্ঞদের আনা যাচ্ছে না। এ বিষয়গুলোও বিবেচনা করতে হবে।

বিজ্ঞাপন
প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন