default-image

আমাদের মোটরসাইকেল শিল্পে বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে সরঞ্জাম উৎপাদন। আমরা দেশে যত বেশি মোটরসাইকেলের সরঞ্জাম উৎপাদন করতে পারব, আমদানির ওপর নির্ভরতা তত কমবে। করোনায় সরঞ্জাম আমদানি করতে বেগ পেতে হয়েছে। জাহাজের ভাড়া বেড়ে গেছে। সেটির প্রভাব গিয়ে পড়বে মোটরসাইকেলের দামে কিংবা কোম্পানির মুনাফায়। আমরা রানারের তরফ থেকে ইতিমধ্যে মোটরসাইকেলের সিট, চেইন, এয়ার ফিল্টারসহ কয়েকটি সরঞ্জাম স্থানীয়ভাবে উৎপাদন করছি। আরও কিছু সরঞ্জাম তৈরির চেষ্টা করছি। তবে সব কোম্পানির অংশগ্রহণ থাকলে প্রক্রিয়াটি দ্রুত হবে। সরকারের উদ্যোগ থাকলে আরও ভালো। আরেকটি চ্যালেঞ্জ হচ্ছে দক্ষ কর্মীর অভাব। এখানে স্থানীয়ভাবে দক্ষ কর্মী গড়ে তোলার চেষ্টা দরকার।

বিজ্ঞাপন

রানার বাংলাদেশে সর্বপ্রথম মোটরসাইকেল উৎপাদন শুরু করে। রপ্তানিতেও আমরাই প্রথম। বর্তমানে নেপাল ও ভুটানে রপ্তানি করছি। আমরা আফ্রিকার বিভিন্ন দেশে রপ্তানি নিয়ে কাজ করছি। করোনার কারণে প্রক্রিয়াটি শ্লথ হয়েছে। তবে মোটরসাইকেল বড় রপ্তানি খাত হওয়ার সম্ভাবনা আছে। একই সঙ্গে সরঞ্জাম রপ্তানিও সম্ভব।

আমরা নেপালে ভারতীয় ব্র্যান্ডের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছি। আমাদের বড় বাধা হচ্ছে দাম। মানের দিক দিয়ে পৃথিবীর যেকোনো ব্র্যান্ডের সঙ্গে আমরা প্রতিযোগিতা করতে পারব। তবে সরঞ্জাম আমদানিনির্ভর হওয়ায় আমাদের মোটরসাইকেলের উৎপাদন খরচ বেড়ে যায়। আমরা যদি ধীরে ধীরে পশ্চাৎমুখী শিল্প গড়ে তুলতে পারি, তাহলে দামেও আমরা অন্যদের সঙ্গে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা অর্জন করতে পারব।

বিজ্ঞাপন

মোটরসাইকেল ও তার সরঞ্জাম উৎপাদনের জন্য সরকারের নীতিসহায়তা লাগবে। প্রাথমিক কাঁচামালের শুল্ক কমানো হলে, তাদের সরঞ্জাম উৎপাদন সহজ হবে। মোটরসাইকেল বিক্রির ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ আছে। আর সীমিত আকারে হলেও উচ্চ সিসির মোটরসাইকেল ব্যবহারের অনুমতি দেওয়া দরকার। নেপালে আমরা ২০০ সিসি মোটরসাইকেল রপ্তানি করি। কিন্তু দেশে বিধিনিষেধ থাকার কারণে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পারি না।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন