বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরিবার সঞ্চয়পত্র
মাঝখানে বন্ধ থাকলেও এই সঞ্চয়পত্র নতুন করে চালু করা হয় ২০০৯ সালে। এ সঞ্চয়পত্রে টাকা বিনিয়োগ করা যায় ১৮ বছর ও তার চেয়ে বেশি বয়সী বাংলাদেশি যেকোনো নারী, বাংলাদেশি শারীরিক প্রতিবন্ধী যেকোনো পুরুষ ও নারী এবং ৬৫ বছর বা তার চেয়ে বেশি বয়সী যেকোনো বাংলাদেশি পুরুষ ও নারী। এই সঞ্চয়পত্রে একক নামে সর্বোচ্চ ৪৫ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা যায়। মুনাফার হার ৫-বছরের মেয়াদান্তে ১১ দশমিক ৫২ শতাংশ। এর আগে ভাঙালে মুনাফার হার কম।

পেনশনার সঞ্চয়পত্র
এটি চালু হয় ২০০৪ সালে। মেয়াদ ৫ বছরের। এ সঞ্চয়পত্র কিনতে পারেন অবসরপ্রাপ্ত সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত, আধা স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা-কর্মচারী, সুপ্রিম কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি, সশস্ত্র বাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সদস্য এবং মৃত চাকরিজীবীর পারিবারিক পেনশন সুবিধাভোগী স্বামী-স্ত্রী-সন্তানেরা।
আনুতোষিক ও ভবিষ্য তহবিলের অর্থ মিলিয়ে একক নামে ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করা যায় এ সঞ্চয়পত্রে। মুনাফার হার মেয়াদান্তে ১১ দশমিক ৭৬ শতাংশ।

default-image

ডাকঘর সঞ্চয় ব্যাংক
এটি ১৮৭২ সালে চালু হয়। এর দুটি ভাগ রয়েছে—সাধারণ হিসাব ও মেয়াদি হিসাব। সাধারণ হিসাবে মুনাফা পাওয়া যায় সরল হারে ৭ দশমিক ৫ শতাংশ। আর মেয়াদি হিসাবে (৩ বছর) মুনাফা মেয়াদান্তে ১১ দশমিক ২৮ শতাংশ। বাংলাদেশের সব শ্রেণি-পেশার নাগরিক দুই হিসাবেই টাকা রাখতে পারেন। উভয় হিসাবেই বিনিয়োগের ঊর্ধ্বসীমা একক নামে সর্বোচ্চ ১০ লাখ এবং যুগ্ম নামে সর্বোচ্চ ২০ লাখ টাকা। চলতি বছরের ১৮ মে থেকে এ সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। তার আগে ঊর্ধ্বসীমা একক নামে ৩০ লাখ ও যুগ্ম নামে ৬০ লাখ টাকা ছিল।

ডাক জীবনবিমা
এটি চালু হয় ১৮৭২ সালে। ১৯ থেকে ৫৫ বছর বয়সী বাংলাদেশের সব শ্রেণি-পেশার নাগরিক এ বিমা পলিসি করতে পারেন। পলিসির ধরন হচ্ছে জীবন চুক্তি বিমা, মেয়াদি বিমা, শিক্ষা মেয়াদি বিমা, বিবাহ বিমা এবং এন্ডোমেন্ট বিমা। ডাক্তারি পরীক্ষা ছাড়াই এসব পলিসি করা যায়। প্রিমিয়ামের হার কম থাকলেও ডাক জীবনবিমা থেকে বোনাসের পরিমাণ বেশি পাওয়া যায়। এ ছাড়া পাওয়া যায় আয়কর রেয়াত এবং ১০০ শতাংশ ঝুঁকির নিরাপত্তা।

ওয়েজ আর্নার্স ডেভেলপমেন্ট বন্ড
৫-বছর মেয়াদি এই বন্ড চালু হয় ১৯৮১ সালে। মেয়াদান্তে মুনাফা ১২ শতাংশ। বন্ড ধারক ১২ শতাংশ হারে প্রতিবছর ষাণ্মাসিক ভিত্তিতে মুনাফা উত্তোলন করতে পারেন।
বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশি কোনো ওয়েজ আর্নার নিজ নামে অথবা আবেদনপত্রে উল্লিখিত তাঁর মনোনীত ব্যক্তির নামে অথবা প্রেরিত বৈদেশিক মুদ্রার সুবিধাভোগী ব্যক্তির নামে এ বন্ড কিনতে পারেন।

বিদেশে লিয়েনে কর্মরত বাংলাদেশি সরকারি, সংবিধিবদ্ধ সংস্থা, স্বায়ত্তশাসিত ও আধা স্বায়ত্তশাসিত সংস্থার কর্মচারীরাও এ বন্ড কিনতে পারেন।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন