বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পরামর্শটি খুব মনে ধরে এমআইটির সেই তরুণের। এ সময় সে আরও একটি ডাক পায়। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের প্রকল্প নিয়ে সাক্ষাৎকার দিয়েছিল আমেরিকার অন্যতম স্টার্টআপ একসিলারেটর ওয়াই কম্বিনেটরে। চারটি ইন্টার্নশিপের সঙ্গে একদিন সকালে সে জানতে পারে, ওয়াই কম্বিনেটরের জন্যও সে নির্বাচিত হয়েছে। ওয়াইসি হলো আমেরিকার সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ একসিলারেটর, যাদের হাতে জন্ম হয়েছে ড্রপবক্স, এয়ারবিএনবির মতো প্রতিষ্ঠানের। মুশকিল হচ্ছে, ওয়াই কম্বিনেটরের অফার গ্রহণ করলে তাকে প্রায় সবকিছুই ছাড়তে হবে—এমআইটির পড়ালেখা, স্বপ্নের প্রতিষ্ঠানের ইন্টার্নশিপের সুযোগ। এবং শুরু করতে হবে নিজের উদ্যোগ। বিনিময়ে পাওয়া যাবে উদ্যোগ শুরু করার জন্য সিড বিনিয়োগ। সঙ্গে ওয়াইসির মাধ্যমে বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে যোগাযোগের একটা নেটওয়ার্কে যুক্ত হতে পারা।

এরিক উর পরামর্শের কথা ভেবে তরুণটি নিজেকেই বলল, এখনই যদি ঝুঁকি না নিই, কখন তাহলে নেব? ঠিক করল, স্বপ্নের কোম্পানি কিংবা উঠতি স্টার্টআপে যোগ না দিয়ে নিজেই তৈরি করবে স্টার্টআপ।

স্কেল ডট এআই

জুন ২০১৬ সালে ১৯ বছর বয়সী আলেকজান্ডার (আলেক্স) ওয়াং কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক স্টার্টআপ স্কেল এআই (Scale. ai) শুরু করে দেয়। এই স্টার্টআপের ফোকাস হলো প্রশিক্ষণের ডেটাকে লেবেল করে বিভিন্ন কোম্পানিকে সরবরাহ করা। ডেটা লেবেলিং হচ্ছে মেশিন লার্নিংয়ের জন্য ডেটাকে তৈরি করা। এখন নানা রকম ডিভাইস ও প্রোগ্রাম দিয়ে অনেক ডেটা জোগাড় করা যায়। কিন্তু প্রোগ্রামে ব্যবহারের আগেই সেগুলোকে লেবেলিং বা চিহ্নিত করতে হয়। তারপর সেটাকে মেশিন লার্নিংয়ের প্রোগ্রাম উন্নত করার জন্য ব্যবহার করা যায়। আলেক্সের স্কেল ডট এ আই এই কাজটা করত। বছরের শেষে এসে আলেক্সের ‘এপিআই ফর হিউম্যান ইনটেলিজেন্স’ বেশ ভালো অগ্রগতি করে। উবার, আলফাবেট, হাউস ও পিএন্ডজির মতো কোম্পানিগুলো সেটা ব্যবহার করতে শুরু করে।

২০১৯ সালে ব্লুমবার্গের এক রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, মাত্র তিন বছর বয়সী স্কেল ডট এআই-এর মূল্যমান বিলিয়ন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। এবং সে সময় তারা গুগলের স্বচালিত গাড়ি প্রকল্পের ওয়েমোকে কাস্টমার হিসেবে পেয়েছে।

গত বছরের ডিসেম্বরে স্কেল এআই ২০০ জনের কোম্পানিতে উত্তীর্ণ হয়। এ ছাড়া ডেটা লেবেলিংয়ের জন্য তারা হাজারের বেশি লোককে চুক্তিতে নিয়োগ করে। তাদের গ্রাহকের মধ্যে তত দিনে যুক্ত হয়েছে ই-কমার্স, সরকার, এন্টারপ্রাইজ অটোমেশন, রোবটিকস, জেনারেল মোটরস, টয়োটা, এনভিডিয়া, এয়ারবিএনবি, পিন্টারেস্ট, ওপেনএআই, দুরদাশের মতো প্রতিষ্ঠান। এ সময় তাদের মূল্যমান বেড়ে হয় সাড়ে তিন বিলিয়ন ডলার।

অবশেষে মাস আড়াই আগে এপ্রিলের ১৩ তারিখে অ্যালেক্স ঘোষণা করে, তারা নতুন করে ৩২৫ মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ পেয়েছে। ভ্যালুয়েশন হয়েছে মাত্র ৭০০ কোটি ডলারের বেশি বা ৬০ হাজার কোটি টাকার কাছাকাছি।

১৯ বছরে শুরু করে মাত্র ২২ বছর বয়সে অ্যালেক্স কেমনে এই বিলিয়ন ডলারের কোম্পানি গড়ে তুলেছে? জানতে হলে আমাদের ফিরে যেতে হবে আমেরিকার ইলিনয় ইউনিভার্সিটি এট আরবানা শ্যাম্পেনে, আলেক্সের পিএইচডি গবেষক মা–বাবার কাছে।

গণিত, দাবা ও মানসিক শক্তি

আলেক্সের মা–বাবা দুজনই নিউক্লিয়ার সায়েন্টিস্ট। পিএইচডি করার জন্য তাঁরা চীন থেকে আমেরিকায় আসেন। পিএইচডি করার সময় তাঁরা নিদারুণ অর্থকষ্টে পড়ে যান। এই সময় ছোট্ট অ্যালেক্স মানসাঙ্ক করতে পছন্দ করত এবং দাবা খেলতে। বাবা তাকে এসবে দারুণ উৎসাহ দিত, যাতে ছেলের মানসিক শক্তি দৃঢ় এবং মানসিক স্থিরতা তৈরি হয়। বাবার কাছ থেকে অ্যালেক্স শিখেছে, দাবা খেললে পরে মানসিক শক্তি বাড়ে। কারণ, সংকটের সময়েও মাথা ঠান্ডা রেখে নানা বিকল্প নিয়ে ভাবা যায়। পাশাপাশি নিদারুণ অর্থকষ্টেও তাঁদের দৃঢ় সংকল্পে কাজ করা দেখে ছোটবেলা থেকে আলেক্সের মধ্যে লেগে থাকার দুর্দমনীয় আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়।

গণিতের ঝোঁক থেকে অ্যালেক্স গণিত অলিম্পিয়াডের মতো গণিতের প্রতিযোগিতায় যোগ দিতে শুরু করে। গাণিতিক সমস্যা সমাধানে তার দক্ষতাও ছিল। ক্লাস সিক্সে থাকার সময় অ্যালেক্স প্রথমবারের মতো আমেরিকার অন্যতম গণিত প্রতিযোগিতা ম্যাথকাউন্টে অংশ নিয়ে বিজয়ী হয়। এই প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের নিয়ে যাওয়া হয় ডিজনি ওয়ার্ল্ডে। অ্যালেক্স জানাচ্ছেন, ‘ছোটবেলায় আমার তেমন বেড়ানোর ঘটনা নেই। কাজে এই ট্রিপটা আমি খুবই এনজয় করি। আর বুঝতে পারি, এ রকম প্রতিযোগিতায় সফল হলে বিনে পয়সায় বেড়ানো সম্ভব।’

কাজেই অ্যালেক্স বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক কর্মকাণ্ডে অংশ নিতে শুরু করে। গণিতের বিভিন্ন প্রতিযোগিতার পাশাপাশি কম্পিউটার কোডিংয়েও তার আগ্রহ দেখা যায়। সুযোগ পায় আমেরিকার ম্যাথ অলিম্পিয়াডের সামার প্রোগ্রামে; সেখানকার ম্যাথ ট্যালেন্ট সার্চে জাতীয়ভাবে পঞ্চম স্থান অধিকার করে; ইন্টারন্যাশনাল ইনফরমেটিকস অলিম্পিয়াডের দল নির্বাচন পর্যন্ত পৌঁছায়; ইউএসএ কম্পিউটিং অলিম্পিয়াডের ফাইনালিস্ট হয় এবং আমেরিকার পদার্থবিজ্ঞান অলিম্পিয়াড দলে সদস্য নির্বাচিত হয়।

সুযোগ বারবার আসে না

বিভিন্ন অনলাইন কোডিং কনটেস্টে তার যোগদানের সংখ্যাও বাড়তে থাকে। এসব প্রতিযোগিতার একটি বিশেষ বৈশিষ্ট্য হলো, সিলিকন ভ্যালিসহ আমেরিকার অনেক বড় বড় প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান এখান থেকে তাদের কর্মী বাছাইয়ের চেষ্টা করে। আলেক্সের সমস্যা সমাধানের দক্ষতা দেখে সিলিকন ভ্যালির আদ্দিপার কোম্পানি তাকে সরাসরি সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে চাকরি দিয়ে দেয়। তারা এমনকি অ্যালেক্স কী পড়ে, সেটারও কোনো খোঁজ নেয়নি। ২০১৪ সালে অ্যালেক্স নিউ মেক্সিকো থেকে বে-এরিয়াতে চলে যায় আদ্দিপারে কাজ করার জন্য। সেখানে কিছুদিন কাজ করে অ্যালেক্স প্রশ্ন-উত্তরের জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম কোরাতে যোগ দেয় টিম লিড হিসেবে। সে সময় তার বয়স মাত্র ১৬ বছর। প্রতিদিন ১২ ঘণ্টা কাজ করাটা তার অভ্যাস হয়ে যায়। কোরাতে কাজ করতে করতে সে একজন ‘কোড মাংকি (কম্পিউটার সায়েন্স জগতে যারা শুধু কোডিং করতে চায়, তাদেরকে এই নামে ডাকা হয়) থেকে ইঞ্জিনিয়ার হয়ে ওঠে। তখনো তার হাইস্কুল শেষ হয়নি।

ডিগ্রি ছাড়াই তার এই সাফল্যের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে অ্যালেক্স ফোর্বস ম্যাগাজিনে স্টিভেন লিকে এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘একটা কিছু বানানোর জন্য আমি কী জানি, সেটি ঠিকমতো দেখাতে পারাটা আসলেই খুব গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সে সময় কোম্পানিগুলো আগ্রহীদের কোন কোন স্কিলসেট আছে এবং সেটা তাদের কাছে লাগবে কি না, সেটা দেখত।’

এভাবে হাইস্কুল পেরোনোর আগেই অ্যালেক্স ওয়াং জেনে যায়, এসব দ্রুত বেড়ে ওঠা স্টার্টআপগুলো কেমন করে আরও বড় হয়। সঙ্গে সঙ্গে তার নিজের কোডিং দক্ষতা ও চিন্তার গভীরতাও পোক্ত হতে থাকে।

এমআইটির অভিজ্ঞতা

২০১৫ সালে এমআইটিতে পড়তে যান অ্যালেক্স ওয়াং। বিষয় কম্পিউটার সায়েন্স। প্রথম বছরে কম্পিউটার সায়েন্সের মেশিন লার্নিং, ক্রিপ্টোগ্রাফি অ্যান্ড ক্রিপ্টোঅ্যানালিসিস, বায়েসিয়ান মডেলিং অ্যান্ড ইন্টারফেরেন্স, অ্যাডভান্স অ্যালগরিদম, অ্যাডভান্স কমপ্লেক্সিটি থিউরি ইত্যাদি কোর্সও সাফল্যের সঙ্গে শেষ করেন। পড়ালেখা, অ্যাসাইনমেন্ট, হোমওয়ার্কের পাশাপাশি নিজের একটি প্রজেক্ট নিয়েও কাজ করতে থাকে অ্যালেক্স। লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য আমরা শুরুতেই জেনে ফেলেছি।

ডেটা ইজ দ্য নিউ কোড

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে আলেক্সের আগ্রহ। সেটা নিয়েই স্কেল এআই-এর কাজ। এ সময় অ্যালেক্স খেয়াল করেন, ২০২৪ সাল নাগাদ কৃত্রিম বৃদ্ধিমত্তার সফটওয়্যারের বাজার হবে কমবেশি ৪৪ বিলিয়ন ডলারের। কিন্তু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিংয়ের ওপর ভিত্তি করে সফল অ্যাপ্লিকেশন বানাতে হলে প্রচুর প্রশিক্ষণ ডেটার দরকার। অনেক কোম্পানি নানা উৎস থেকে ডেটা সংগ্রহ করলেও সেটিকে কিউরেটেড (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার উপযোগী) করাতে পিছিয়ে পড়ে। একটি কারণ হলো, তাদের এআই/এমএল ইঞ্জিনিয়াররা কিউরেটেড ডেটা দিয়ে অ্যাপ্লিকেশন বানাতে দক্ষ। কিন্তু ডেটা কিউরেশন মনোটোনাসও প্রচুর ধৈর্যের কাজ। অ্যালেক্স এই সুযোগই নিল। তার লক্ষ্য বিভিন্ন কোম্পানির সংগ্রহ করা ডেটাকে লেবেলিং করার কাজ করে দেওয়া।

২০১৬ সালে এ ধরনের কাজের নানা সুযোগ ছিল। স্টিভেন লিকে দেওয়া আলাপচারিতায় অ্যালেক্স তাদের প্রথম ভুলের কথা উল্লেখ করেছে। সে সময় ছবি ও বিভিন্ন ধরনের সেন্সরভিত্তিক ডেটা নিয়ে কম্পিউটার ভিশনের জন্য কাজের যেমন সুযোগ ছিল, তেমনি ছিল কাঠামোগত ডেটা যেমন পিডিএফ ডকুমেন্ট নিয়ে কাজ করার সুযোগ। অ্যালেক্স ও তার স্কেল এআই দুই দিকেই কাজ করতে শুরু করে। কিন্তু দেখা গেল, কোনোটাতেই কোনো অগ্রগতি হচ্ছে না।

এভাবে দুই নৌকায় পা দিয়ে যে কাজ হবে না, এটা বুঝতে পেরে ‘আমরা একটাকে সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে দিলাম এবং কেবল ছবি, কম্পিউটার ভিশন ও অন্যান্য সেন্সরভিত্তিক ডেটা নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়লাম।’ আর এর মাধ্যমে স্কেল ডট এআই পেয়ে গেল তাদের কাঙ্ক্ষিত পথ। বছরের শেষ নাগাদ তাদের অগ্রগতি এবং তার পরের খবর আমরা আগেই পেয়েছি।

টিম, টিম, টিম

ভেঞ্চার বিনিয়োগকারী মাইক ভলপির সঙ্গে এক ভিডিও অনুষ্ঠানে অ্যালেক্স তার সাফল্যের পুরোটাই দিয়েছে টিমকে। ‘মানুষই আসল। এই যে কোনো একটা প্রডাক্ট ঠিকমতো কাজ করে, তার সত্যিকারের কারণ হলো এর পেছনের মানুষগুলো—চৌকস, সক্রিয়, পরিশ্রমী ও টিম প্লেয়ার।’ আর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো এটি নিশ্চিত করা যে এসব চমৎকার মানুষকে আকৃষ্ট করতে পারা এবং তাদেরকে নিজেদের দলে ভেড়াতে পারা। যেটি তাঁরা করতে পারছেন।

যা কিছু শেখা

ছোটবেলা থেকে শুরু করা: এর আগে বিল গেটস বা মার্ক জাকারবার্গের বেলায় দেখেছি, তাঁরা কোডিং শুরু করেছেন ছোটবেলায়। এতে কোডিংয়ের প্রতি দুর্বার আগ্রহ তৈরি হয়, যা সময়মতো স্থির প্রত্যয়ে পরিণতি লাভ করে। পাগলামি পরিণত হয় দক্ষতায়। অ্যালেক্সের বেলায়ও আমরা দেখেছি ছোটবেলার ইচ্ছে ধীরে ধীরে পরিণতি পেয়েছে কোরাতে থাকতেই। তখনো সে কিন্তু হাইস্কুলেই পড়ে!

প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়া: হাইস্কুল পর্যন্ত মেধার নানা রকম প্রতিযোগিতায় অংশ নেওয়ার সুফল অনেক। এতে নিজেকে যেমন ঝালিয়ে নেওয়া যায়, সে রকম এ থেকে নতুন নতুন সম্ভাবনাও তৈরি হয়। দেশেও আমরা এমনটা দেখছি। বাংলাদেশ গণিত অলিম্পিয়াডসহ নানা অলিম্পিয়াডে অংশগ্রহণকারীরা এখন অন্যতম সেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে যেমন সুযোগ পাচ্ছে, তেমনি সেরা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানেও যোগ দিতে পারছে। ফলে তাদের দুনিয়াটাও বড় হচ্ছে। যেহেতু নতুন নতুন কাজের ক্ষেত্রগুলোতে অনেক মেধাবীর দরকার, তাই লিডিং কোম্পানিগুলো ট্যালেন্ট হান্টের জন্য এসব দিকে নজর রাখে। কাজে তাদের চোখে পড়ার সম্ভাবনা বাড়ে।

দুই নৌকায় পা দেওয়া যাবে না: শুরুতে অনেকেই একই সঙ্গে নানা কিছু করতে চায়, যেন যেটা ভালো সেটাতে স্থির হওয়া যায়। কিন্তু এতে আখেরে কোনো লাভ হয় না; বরং যেকোনো একটা পছন্দের বিষয়ে সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে ব্যর্থ হওয়াও ভালো। কারণ, এতে অভিজ্ঞতা বাড়ে।

এখন যৌবন যার যুদ্ধে যাওয়ার তার শ্রেষ্ঠ সময়: কম বয়সেই ঝুঁকি নিতে হবে, চ্যালেঞ্জ নিতে হবে। কারণ, তখন পিছুটান থাকে কম। নানা রকম পরীক্ষা করার সুযোগ থাকে। থাকে নিজেকে যেকোনো পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়ার সুযোগ। এমনকি একটি ব্যর্থতার পর সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয় নিয়েও কাজ করার সুযোগ থাকে।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন