বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রথম আলো: দেশে গাড়ি উৎপাদন নিয়ে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ আলোচনা হচ্ছে। বাস্তবে গাড়ি উৎপাদনের জন্য বাংলাদেশ কতটা প্রস্তুত?

নাঈমুর রহমান: দেশের অর্থনীতি বর্তমানে তৈরি পোশাকশিল্পনির্ভর। এখনই উপযুক্ত সময় অর্থনীতির পোশাকনির্ভরতা কমানো। এদিকে প্রতিবছর দেশে গাড়ি আমদানি উল্লেখযোগ্য হরে বাড়ছে। গাড়ির বাজারের পুরোটাই এখন আমদানিনির্ভর। তাতে প্রতিবছর প্রচুর বৈদেশিক মুদ্রা গাড়ি আমদানিতে খরচ হচ্ছে। এ দেশে সহজে কম খরচে শ্রম পাওয়া যায়, তাই দেশে গাড়ি উৎপাদন করলে তাতে উৎপাদন খরচ কম হবে। সে কারণে আমি মনে করি আমাদের গাড়ি উৎপাদনের দিকে যাওয়া উচিত।

প্রথম আলো: দেশে গাড়ির দাম অনেক বেশি। এ জন্য ব্যবসায়ীরা উচ্চ শুল্ককে কারণ হিসেবে উল্লেখ করেন। কেন আমদানি শুল্ক কমাচ্ছে না সরকার।

নাঈমুর রহমান: বেশি শুল্কের কারণেই মূলত গাড়ির দাম বেড়ে যায়। একটা সময় দেশে গাড়িকে বিলাসী পণ্য হিসেবে বিবেচনা করা হতো। কিন্তু গাড়ি এখন বিলাসিতা নয়, প্রয়োজনীয়তা। এমন বাস্তবতায় সরকারের উচিত গাড়ির শুল্কায়নের বিষয়ে দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করা। শুল্ক কমিয়ে গাড়িকে মানুষের ক্রয়ক্ষমতার মধ্যে আনা দরকার।

প্রথম আলো: বিশ্বের বড় বড় গাড়ি নির্মাতা প্রতিষ্ঠানগুলো এখন বৈদ্যুতিক গাড়ি উৎপাদনে ঝুঁকছে। এমন পরিস্থিতিতে গাড়ি আমদানি ও উৎপাদনে বাংলাদেশের নীতি কী হওয়া প্রয়োজন?

নাঈমুর রহমান: বিশ্বের উন্নত ও উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার ক্রমে বাড়ছে। বাংলাদেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার খুব না বাড়লেও হাইব্রিড গাড়ির জনপ্রিয়তা বেশ বেড়েছে। তুলনামূলক কম পরিমাণ জ্বালানি ব্যবহারের কারণেই হাইব্রিড গাড়ির জনপ্রিয়তা বহু গুণে বেড়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় বৈদ্যুতিক গাড়ির জনপ্রিয়তাও এ দেশে বাড়বে বলে ধারণা করা যায়।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন