default-image

২০২০ জীবনের সব ক্ষেত্রেই রেখে গেছে নানান বিষ-বেদনা। এই বিষের হাজার খারাপ প্রভাব থাকলেও একটা ভালো বিষয় হচ্ছে খারাপ সময় অনেক ধরনের সম্ভাবনা তৈরি করেছে। আর উদ্যোগ তৈরি করার মূলনীতিই হচ্ছে সমস্যার সমাধান করতে হবে। তো যেহেতু সমস্যার কোনো অভাব ২০২০ ফেলে যায়নি, তাই ২০২১ হতে পারে নতুন ব্যবসা শুরুর শ্রেষ্ঠ বছর।

উদ্যোক্তাদের জন্য তৈরি ওয়েবসাইট এন্ট্রাপ্রেনিউর উদ্যোক্তাদের জানাচ্ছে কোন তিন কারণে ২০২১ নতুন উদ্যোগ শুরুর জন্য একটি অসাধারণ বছর হতে পারে।

বিজ্ঞাপন

১. অনলাইনে মানুষের আনাগোনা সর্বোচ্চ

অতিমারিতে মানুষ সব বন্দী হয়েছে বাড়িতে। তারা ভিন্ন ভিন্ন জায়গায় যেতে পারছে না। সব সমাধান করতে অনলাইনেই আসতে হচ্ছে। ওদিকে করোনায় বিশ্বজুড়ে ই–কমার্স ৪০ শতাংশ বেড়েছে। তো বাজার কোথায় আছে, এটা নিশ্চিত ক্রেতা কোথায় আছে তাও নিশ্চিত, একমাত্র যে জিনিসটা খুঁজে বের করতে হবে, তাদের ঠিক কী পণ্য বা সেবা দরকার হবে, যা তারা এখনো খুঁজে পায়নি। এই সঠিক বিষয়টি সন্ধান করার মাধ্যমেই আগামীর সফল ব্যবসা দাঁড় করানো সম্ভব হবে।

১৯৭৩-৭৫ সালের মধ্যে জ্বালানি তেলের কারণে সৃষ্ট মন্দার সময় মাইক্রোসফট তৈরি হয়েছিল। আর এই মুহূর্তের সফল উদ্যোগগুলো যেমন উবার, এয়ার বিএনবি—এগুলো তৈরি হয়েছিল ২০০৭ থেকে ২০০৯ সালের মহামন্দার পরে।

২. গৃহমুখী হওয়ার অনন্য সুবিধা

ব্যস্ত জীবনে ঘরে দেওয়ার মতো সময় আমাদের অনেকেরই হচ্ছিল না। বাইরে যাওয়ার বাধা আসায় ঘরেই মানুষ নানান নতুন বিষয়ে কাজের চেষ্টা করছে। এভাবে ক্রেতাদের একমুখী পাওয়া যাচ্ছে। তারা একে অন্যকে প্রভাবিতও করতে পারছে। এমন দিনে একজন থেকে আরেকজন থেকে পৌঁছানো যায় অনায়াসেই—এতটা সুবিধা সম্ভবত আগে কখনো আসেনি।

বিজ্ঞাপন

৩. কর্মী পাওয়ার সুযোগ

করোনায় সৃষ্ট অর্থনৈতিক মন্দায় অনেক দক্ষ কর্মীও চাকরি হারিয়েছে। তাদের সবাই নিজেদের ব্যবসা শুরু করবে না। অনেকেই তাদের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতা এ রকম সময় নতুন ব্যবসা শুরু করলে শুধু যে অভিজ্ঞ কর্মী পাওয়ার সম্ভাবনা বাড়ছে, তাদের পেছনে খরচও কমে যাচ্ছে।

করোনার অতিমারির এই সময়ে যদি সত্যি আপনি একটা ব্যবসা শুরু করতে চান, তাহলে নিজেকেই প্রশ্ন করে আসলেই আপনার পণ্য বা সেবাটি মানুষের প্রয়োজন আছে নাকি? অথবা ঠিক কী কারণে এটা বিফল হতে পারে।

প্র বাণিজ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন