বিজ্ঞাপন

সিস্ট

আমার বয়স ১৩ বছর। বাঁ পায়ের হাঁটুর একটু ওপর চামড়ার নিচে ছোট একটা গুটির মতো কিছু অনেক আগে থেকেই ছিল। সেটা জন্মগত কি না জানি না। সেখানে হাত দিয়ে ধরলে বা চাপ দিলে একটা নির্দিষ্ট জায়গার মধ্যে ঘোরে। তবে ব্যথা নেই। ইদানীং আবার পা ঝুলিয়ে ওপর-নিচ করলে শব্দ হয়। কী করব?—তহুরা ইসলাম

এটা কোনো সিস্ট (পুঁজকোষ) হওয়ার আশঙ্কা বেশি অথবা ফাইব্রোমা–জাতীয় কোনো কিছু হতে পারে। আকার বাড়তে না থাকলে ভয়ের কিছু নেই।

পরামর্শ দিয়েছেন—ডা. আ ফ ম হেলালউদ্দিন, সহযোগী অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগ, স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ, ঢাকা।

হৃদ্‌রোগ

আমার বয়স ২৩ বছর। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ি। আমার হুটহাট করে প্রচণ্ড বুক ধড়ফড় করে, তখন মনে হয় এই বুঝি দম বন্ধ হয়ে যাবে। খুব ভয় পাই তখন। এ সমস্যার সমাধান কী? আমার ওজন ৬৭ কেজি, উচ্চতা ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি।—অন্ময় হোসেন

বুক ধড়ফড় করা কো‌নো রোগ নয়, রোগের উপসর্গ। বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই সাধারণ কিছু কারণে বুক ধড়ফড় হয়। একজন সুস্থ মানুষের মিনিটে ৬০ থেকে ১০০ বার হৃৎস্পন্দন হয়।

সাধারণত অতিরিক্ত ভয়, দুশ্চিন্তা, আতঙ্ক, মানসিক চাপ, পরিশ্রম, দৌড়ঝাঁপ, ব্যায়াম, খেলাধুলা প্রভৃ‌তি কারণে হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়। অতিরিক্ত ধূমপান, চা, কফি পান করলে আবার কখনো কখনো ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াতেও বুক ধড়ফড় করতে পারে। অল্প বয়সে এ ধরনের কারণ বেশি পেয়ে থাকি। এ ক্ষেত্রে অনেক সময় বেশি পরীক্ষা–নিরীক্ষার প্রয়োজন হয় না। বুক ধড়ফড়ের কারণ জেনে তা প্রতিরোধ ও প্রতিকার সম্ভব। কখনো কখনো ইনডেভার ট্যাবলেট (১০ মিলিগ্রাম) একটি করে দুই বেলা খেতে পারেন। আপনার যেহেতু আতঙ্ক কাজ কর‌ছে, কিছুদিন রাতে জোলিয়াম (.২৫ মিলিগ্রাম) ট্যাবলেট একটি করে খেতে পারেন।

জ্বর, রক্তশূন্যতা, থাইরয়েড সমস্যা, ডায়রিয়া, বমি, রক্তক্ষরণ ইত্যাদি কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিলে হৃৎস্পন্দন দ্রুততর হয়।

হার্টের নানা জটিলতায় অনিয়ন্ত্রিত, অস্বাভাবিক হৃৎস্পন্দন হতে পারে। যার কার‌ণে বুক ধড়ফড় বা প্যালপিটেশন হতে পারে। যেমন হার্টের ভাল্‌ভের রোগ, জন্মগত হৃদ্‌রোগ, হার্ট ফেইলিউর, অ্যাট্রিয়াল ফিব্রিলেশন ইত্যাদি অ্যারিদমিয়া বা হৃৎস্পন্দনের সমস্যায় বুক ধড়ফড় হতে পারে।

কিছু ওষুধ সাময়িকভাবে হার্টবিট বাড়ায়। যেমন হাঁপানি রোগে ব্যবহৃত সালবিউটামল ইত্যাদি। হার্টবিট বেড়ে যাওয়ার কারণ অনুসন্ধান করে তা দূর করাই হলো চিকিৎসা। বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

পরামর্শ দিয়েছেন—অধ্যাপক ডা. এস এম মোস্তফা জামান, হৃদ্‌রোগ বি‌শেষজ্ঞ, ল্যাবএইড কা‌র্ডিয়াক হাসপাতাল, ঢাকা।

প্রশ্ন পাঠানোর ঠিকানা

স্বাস্থ্য জিজ্ঞাসা

ই–মেইল: [email protected]

ফেসবুক: www.facebook.com/ProShastho

ডাকযোগে: প্র স্বাস্থ্য, প্রথম আলো, ১৯ কারওয়ার বাজার, ঢাকা ১২১৫

প্র স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন