বিজ্ঞাপন

ঈদ যেহেতু উৎসব, তাই উৎসব উপলক্ষে নানা পদের পছন্দের খাবার খাওয়া হবেই। তবে একটু সাবধানতা অবলম্বন করতে হবে। যেমন খাবার বাছাইয়ের ক্ষেত্রে আগের অভিজ্ঞতার সাহায্য নিন, কারণ সবাই সব খাবার সহ্য করতে পারেন না। যেমন অনেকে ঘন দুধের তৈরি খাবার খেতে পারেন না, তাঁরা সেমাই, ফিরনি এড়িয়ে অন্য পদ খাবেন। একেবারে পেট ভর্তি করে খাওয়া মোটেই ঠিক না, কাজেই পরিমিত খান।

একই সঙ্গে অনেক ধরনের রিচ ফুড কখনোই খাওয়া উচিত নয়। জোর করে খাওয়া যাবে না। আর একটা ব্যাপার হলো, ঈদের দিনই সব খেয়ে নিতে হবে, এমনটা নয়। পরের এক-দুই দিনও খাওয়া যাবে। তবে লক্ষ রাখবেন, খাবার বেশি বাসি করে যেন খাওয়া না হয়। তাই পরিমিত রান্না করুন।

দৈনিক দুই থেকে তিন লিটার পানি অবশ্যই পান করতে হবে। এটা ভুলে গেলে চলবে না।

কেবল মাংস-পোলাও খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। তাই কিছু সালাদ ও সবজি অবশ্যই পাতে রাখবেন। ডায়াবেটিসের রোগীরা মিষ্টি জাতীয় খাবার বাদ দিয়ে ঝাল ও নোনতা পদগুলো বেছে নিন।

সম্ভব হলে একটু হাঁটাহাঁটি, পায়চারি করুন, এতে হজম ভালো হবে।

তারপরও যদি কারও পেটে অতিরিক্ত গ্যাসের সমস্যা থাকে তবে রিচ ফুড এড়িয়ে সহজপাচ্য খাবার খেতে হবে। সঙ্গে সাধারণ গ্যাসের ওষুধ বা অ্যান্টাসিড-জাতীয় ওষুধ খেতে হতে পারে।

পেটে ব্যথা হলে সহজপাচ্য খাবার খান, পর্যাপ্ত পানি পান করুন। কোষ্ঠকাঠিন্য হলে পেট ব্যথা হতে পারে, তাই আঁশযুক্ত খাবার যেমন ফলমূল, সবজি খান। প্রয়োজনে ইসবগুলের ভুসি খেতে পারেন। ব্যথা কমাতে প্রয়োজনে সাধারণ গ্যাসের ওষুধও খেয়ে দেখতে পারেন।

ডায়রিয়া হলে অবশ্যই রিচ ফুড বন্ধ করতে হবে, হালকা সহজপাচ্য খাবার খান আর পর্যাপ্ত খাবার স্যালাইন খেতে হবে।

বদহজম হলে অভিজ্ঞতা অনুযায়ী খাবার খেতে হবে, ঘি তেলযুক্ত রিচ ফুড পরিহার করতে হবে।

এসব সমস্যা আসলে দীর্ঘস্থায়ী হয় না। সাধারণত দু-এক দিনের মধ্যে ঠিক হয়ে যায়। তারপরও যদি কারও এসব সমস্যা দীর্ঘস্থায়ী হয়, তবে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

প্র স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন