default-image

বয়স ৪০ পেরোনো মানুষ, বিশেষ করে যাঁদের ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ আছে, তাঁদের কিডনির সুস্থতার জন্য রুটিন পরীক্ষা করা ভালো। কিডনির সুস্থতায় যেসব পরীক্ষা করা হয়—

  • প্রস্রাবের রুটিন মাইক্রোস্কোপিক পরীক্ষা জরুরি। প্রস্রাবে আমিষ বা অ্যালবুমিন নির্গত হওয়া কিডনি রোগের অন্যতম লক্ষণ। অনেক সময় এর পরিমাণ এত কম যে সাধারণ রুটিন প্রস্রাব পরীক্ষায় ধরা পড়ে না। তখন মাইক্রো অ্যালবুমিন টেস্ট করতে হয়। আবার প্রয়োজন হলে চিকিৎসক ২৪ ঘণ্টার জমানো প্রস্রাবে আমিষের পরিমাণ পরীক্ষা করতে পারেন।

  • কিডনির সক্ষমতা বুঝতে রক্তে ইউরিয়া ও সিরাম ক্রিয়েটিনিন পরীক্ষা করা হয়। কিডনি বিকলে এ দুটি বেড়ে যায়।

  • কিডনি কতখানি আক্রান্ত, তা সবচেয়ে ভালো বোঝা যায় জিএফআর (গ্লোমেরুলার ফিলট্রেশন রেট) বা সিসিআর (ক্রিয়েটিনিন ক্লিয়ারেন্স রেট) টেস্ট করে। জিএফআর ৯০–এর ওপর হলে আপনি নিশ্চিন্ত। আর ১৫-এর নিচে নেমে গেলে শেষ পর্যায়ে।

  • কিডনির আকার, পাথর, টিউমার, সিস্ট, মূত্রতন্ত্র, প্রোস্টেটের অবস্থা ইত্যাদি বুঝতে আলট্রাসাউন্ড একটি কার্যকর পরীক্ষা।

  • কিডনি ফেইলিউরে আনুষঙ্গিক জটিলতা দেখতে রক্তের হিমোগ্লোবিন, ইলেকট্রোলাইট, ক্যালসিয়াম, ফসফেট, ভিটামিন ডি ইত্যাদি পরীক্ষারও দরকার হতে পারে। যেকোনো মানুষেরই নিয়মিত রক্তের শর্করা ও রক্তচাপ মাপতে হবে।

বিজ্ঞাপন
প্র স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন