বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

বাত–ব্যথার কিছু রোগীর ঠান্ডায় রক্তনালি সংকুচিত হয়ে রক্ত সরবরাহ কমে যায়। একে বলা হয় ‘রেনডস’। এ কারণে শীতকালে হাত দুটি অতিরিক্ত ঠান্ডা অনুভূত হয়। রং পরিবর্তন হয়ে নীল হয়ে যায়।

ঘুমের অভাবেও দেহ শীতল মনে হয়। প্রয়োজনীয় পরিমাণ ভিটামিন বি১২ না গ্রহণ করলেও এমন হয়। গোটা দেহে অক্সিজেন প্রবাহে কাজ করে বি১২। এর অভাবে লোহিত রক্তকণিকার অভাব ঘটে। এতেও শীত ভাব বাড়ে।

ডায়াবেটিসের রোগীদের স্নায়ু আক্রান্ত হলে যে ‘পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি’ হয়, তাতে স্নায়ুতন্ত্রে একধরনের শিরশিরে অনুভূতি হয়; যার কারণে শীত বেশি লাগতে পারে। পা দুটি ঠান্ডা হয়ে থাকে বা জমে যায় বলে মনে হয়। পায়ে রক্ত চলাচল কমে যাওয়ার কারণেও এমন মনে হয়।

শীতকালে অতিরিক্ত ঠান্ডা হাত–পা থেকে রেহাই পেতে কী করবেন।

  • খালি পায়ে থাকবেন না। বাড়িতেও হাঁটাহাঁটির সময় স্লিপার বা উষ্ণ স্যান্ডেল পরে থাকুন। শীতে পরার উপযোগী কিছু ঢাকা স্লিপার পাওয়া যায়।

  • পায়ে উলের মোজা পরে থাকুন। গরমকালের জন্য সুতি মোজা ভালো। কারণ, এটি ভেন্টিলেশনে সাহায্য করে। কিন্তু শীতল আবহাওয়ায় উলের মোজা বেশি আরামদায়ক।

  • দীর্ঘ সময় বসে থাকতে হলে পা ঝুলিয়ে না বসে একটা টুল বা মোড়ার ওপর পা উঁচু করে বসুন আর গরম কাপড় দিয়ে পা ঢেকে নিন।

  • রাতে পা ঠান্ডায় জমে যাওয়ার অনুভূতি হলে পাতলা মোজা পরেই ঘুমাতে যান।

  • মাঝেমধ্যে হাঁটাহাঁটি করুন। সচল থাকুন। এতে পায়ে রক্ত চলাচল বাড়বে।

  • ঈষদুষ্ণ গরম পানিতে পা ডুবিয়ে রেখে উঠিয়ে দ্রুত তোয়ালে দিয়ে শুষ্ক করে নিন। এরপর ভালো ময়েশ্চারাইজার মাখুন।

  • শীতে উষ্ণ থাকতে হট ওয়াটার ব্যাগ ব্যবহার করতে পারেন। কিন্তু অতিরিক্ত গরম ব্যাগে পা না পুড়ে যায়, সেদিকে লক্ষ রাখবেন। বিশেষ করে ডায়াবেটিসের রোগীরা বেশি সতর্ক থাকবেন। কারণ, তাঁদের পায়ের অনুভূতি কম।

  • পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করুন। গরম স্যুপ, আদা–চা, গ্রিন–টি ইত্যাদি উষ্ণ থাকতে সাহায্য করবে।

প্র স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন