বিজ্ঞাপন

আপনি কি ঝুঁকিতে আছেন?

আপনি নিজে স্তন ক্যানসারের কতটা ঝুঁকিতে অছেন, তা কীভাবে বুঝবেন? সচেতনতার শুরুটা এখান থেকেই। ৪০ বছরের বেশি বয়স, কম বয়সে মাসিক শুরু আর বেশি বয়সে মাসিক বন্ধ হওয়া, সন্তান ধারণ না করা, ত্রিশ বছর বয়সের পর সন্তান হওয়া, শিশুকে স্তনের দুধ পান না করানো, রক্তসম্পর্কের আত্মীয়দের স্তন, ডিম্বাশয়, জরায়ু, কোলন ক্যানসারের ইতিহাস থাকা, টানা দীর্ঘদিন এস্ট্রোজেনসহ জন্মনিয়ন্ত্রণ বড়ি সেবন, মেনোপজ, নারীদের হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি গ্রহণের ইতিহাস থাকা ঝুঁকিপূর্ণ। এর বাইরে আছে কিছু মন্দ জীবনযাপনের অভ্যাস। অতিরিক্ত ওজন, একেবারেই শারীরিক পরিশ্রম না করা, অতিমাত্রায় উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার (লাল মাংস, প্রক্রিয়াজাত খাবার, চর্বি, ফাস্ট ফুড, কোমল পানীয়) গ্রহণ, রাত জাগার অভ্যাস ইত্যাদি থাকলে সতর্ক হতে হবে।

কীভাবে ঝুঁকি কমাতে পারেন?

দৈনিক ৩০ মিনিট দ্রুত হাঁটুন। দেহের স্বাভাবিক ওজন বজায় রাখার চেষ্টা করুন। প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণ শাকসবজি ও ফলমূল খাবেন। এতেই আপনার স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি ৩৮ শতাংশ কমে যাবে। নবজাতককে ১২ মাস মায়ের দুধ খাওয়ালে স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি ৪ শতাংশ কমে। অল্প বয়স থেকেই সবাইকে সতর্ক হতে হব। স্তন ক্যানসার প্রতিরোধে ২০ বছর বয়স হতেই সচেতন হোন।

নিয়মিত স্ক্রিনিং করুন

স্তন ক্যানসারের কোনো লক্ষণ বা উপসর্গ নেই। তবুও ঝুঁকিতে থাকা নারীদের বিশেষভাবে বিভিন্ন পরীক্ষা–নিরীক্ষা করার নাম ক্যানসার স্ক্রিনিং। স্তন ক্যানসার নিরীক্ষণের তিনটি পদ্ধতি আছে—নিজের স্তন নিজে পরীক্ষা করা, চিকিৎসককে দিয়ে শারীরিক পরীক্ষা করানো এবং বিভিন্ন রকম যান্ত্রিক পরীক্ষা (আলট্রাসনোগ্রাফি, ম্যামোগ্রাফি)।

default-image

নিজের স্তন নিজে পরীক্ষা করা একটি কারিগরি বিষয়। বিষয়টি হাতে–কলমে শিখে নিতে হয়। এরপরও চিকিৎসককে দিয়ে নিয়মিত বিরতিতে শারীরিক
পরীক্ষা করানো উচিত। কারণ নিজে নিজে পরীক্ষা করা আর চিকিৎসক দিয়ে পরীক্ষা করার মান এক নয়। ঠিক কত বছর বয়স থেকে স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিং
ম্যামোগ্রাফি শুরু করতে হবে, এ নিয়ে অনেক বিতর্ক আছে। বিভিন্ন দেশের বিভিন্ন সংগঠন বয়সটি নির্ধারণ করতে না পারলেও সাধারণত ৪০ বছর পার হলেই স্তন ক্যানসার স্ক্রিনিং ম্যামোগ্রাফি করা যৌক্তিক বলা যেতে পারে।

প্র স্বাস্থ্য থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন