বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

এই বিভাগের পড়াশোনার পাঁচ বছরের মোট খরচ ৭ লাখ ৩১ হাজার ৫০০ টাকা। এখানে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীরা ‘মেরিট-বেজড’ ও ‘নিড-বেজড’ বৃত্তিসহ ১০ ধরনের বৃত্তি সুবিধা পান। তা ছাড়া নারী শিক্ষার্থীদের জন্য রয়েছে বিশেষ বৃত্তির ব্যবস্থা। আধুনিক সিলেবাস অনুসরণ করার ফলে ছাত্রছাত্রীরা দ্রুত কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছে এবং দেশে বা দেশের বাইরের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সফল পদচারণা রাখছে। বিভাগটি সারা বছরব্যাপী অসংখ্য সেমিনার, ওয়েবিনার ও কর্মশালা আয়োজন করে, যা স্বনামধন্য স্থপতিদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সুসম্পর্ক তৈরির একটা মাধ্যম হিসেবে কাজ করে।

লেখাপড়ার পাশাপাশি নিয়মিত বিতর্ক, খেলাধুলা এবং বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ডে শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ত করার জন্য রয়েছে আর্কিটেকচার ক্লাব। বিভাগটি নিয়মিত নিজস্ব জার্নাল প্রকাশ করে, পাশাপাশি এখানকার শিক্ষার্থীরা শিক্ষকদের সঙ্গে যৌথভাবে গবেষণার সুযোগ পান। ঢাকার তেজগাঁওতে বিশ্ববিদ্যালয়ের রয়েছে নান্দনিক স্থায়ী ক্যাম্পাস। তা ছাড়া নারী শিক্ষার্থীরা হোস্টেল সুবিধা পাচ্ছেন। বিভাগের রয়েছে কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির পাশাপাশি নিজস্ব সেমিনার লাইব্রেরি, সমগ্র ক্যাম্পাস জুড়ে বিনা মূল্যে ওয়াইফাই, নিজস্ব প্রদর্শনীকক্ষ, জুরি স্পেসসহ আধুনিক কম্পিউটার ল্যাবের সুব্যবস্থা।

বিভাগের প্রাক্তন শিক্ষার্থী ও সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপত্য বিভাগের প্রভাষক আবদুল্লাহ আল আমীন বলেন, ‘সঠিক সময়ে সাফল্যের সঠিক পথ বোঝা সত্যিই খুব গুরুত্বপূর্ণ এবং সেই পথের দিকনির্দেশনা পেতে আমি সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় নির্বাচন করেছিলাম। এখানকার বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশ, শিক্ষকদের ঐকান্তিক যত্ন ও স্বকীয় দৃষ্টিভঙ্গি আমাকে একজন স্থপতি হিসেবে গড়ে উঠতে সাহায্য করেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের আধুনিক সিলেবাসে পড়ালেখা ও সহশিক্ষা কার্যক্রমসহ নানা কর্মশালায় অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে স্বনামধন্য স্থপতিদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ করে দিয়েছে, যা আমার পেশাগত জীবনে খুবই সহায়ক হয়েছে।’

সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপত্য বিভাগের বিভাগীয় প্রধান স্থপতি মাসুদ উর রশিদ বলেন, ‘ভৌত ও একাডেমিক কাঠামো বিবেচনায় প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই এই বিভাগ স্থাপত্য শিক্ষার জন্য একটি আদর্শ ও স্বয়ংসম্পূর্ণ প্রতিষ্ঠান। শতভাগ কর্মমুখী শিক্ষাকেন্দ্রিক আধুনিক সিলেবাসে অধ্যয়ন করা এই বিভাগের স্নাতকেরা দ্রুততম সময়ে কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করছে, বুয়েট বা বিদেশে উচ্চতর ডিগ্রি গ্রহণ করছে। আইএবি ও আর্কএশিয়া আয়োজিত বিভিন্ন অনুষ্ঠানে এই বিভাগের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণ উল্লেখযোগ্য। আমরা মনে করি একজন স্থাপত্যে স্নাতককে ভালো স্থপতি হওয়ার পাশাপাশি ভালো মানুষ ও সুনাগরকিও হতে হবে। আর সে লক্ষ্যে এই বিভাগের প্রত্যেক শিক্ষক ভালো স্থপতি নির্মাণের পাশাপাশি সুনাগরিক তৈরি করার দায়িত্ব তাঁদের কাঁধে তুলে নিয়েছেন।’

প্র স্বপ্ন নিয়ে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন