বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

অনুষ্ঠানের শুরুতে এক সভায় নেপাল ও মালদ্বীপের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ইউএপির শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার সুযোগ সৃষ্টি করা ও পারস্পরিক সম্পর্ক স্থায়ী করা বিষয়ে আলোচনা হয়। এ ছাড়া বিভিন্ন গবেষণা প্রকল্প, একাডেমিক প্রোগ্রাম এবং শিক্ষার্থী উন্নয়নে কীভাবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলো এক হয়ে আন্তর্জাতিক মানের অনুষ্ঠান আয়োজন করতে পারে, কথা হয় সে বিষয়েও।

স্বাগত বক্তব্য রাখেন ইউএপির ভারপ্রাপ্ত উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. সুলতান মাহমুদ। তিনি তাঁর বক্তব্যে দুই দেশের প্রতিনিধিদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং তাঁদের সামনে ইউএপির অর্জনগুলো তুলে ধরেন। সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ইউএপির ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য জনাব কে এম মজিবুল হক, স্কুল অব ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ডিন অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ মিজানুর রহমান। সমাপনী বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টি বোর্ডের সিনিয়র ভাইস চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ শরিফুল ইসলাম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণার মান, শিক্ষা কার্যক্রম, সুযোগ-সুবিধা, ইত্যাদি নিয়ে বিশেষ প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন ইউএপির আন্তর্জাতিকবিষয়ক কার্যালয়ের পরিচালক ও ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ইসমাত জেরিন।

নেপালের রাষ্ট্রদূত ড. বংশিধর মিশ্র তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘মানসম্মত শিক্ষা অর্জনে ভবিষ্যতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমরা কাজ করতে চাই, কারণ আমাদের দেশ, সংস্কৃতি ও ইতিহাস প্রায় একই ধরনের। সুতরাং, শিক্ষা ও প্রযুক্তিগত সাফল্যের বিনিময় নিশ্চিত করতে কাজ করাই হবে আমাদের মূল লক্ষ্য।’

মালদ্বীপের হাইকমিশনার শিরুজিমাথ সামির তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘ইউএপি সব সময় আমাদের কাছে বিশেষ একটি কিছু। বাংলাদেশের বেশ কয়েকটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আমরা কাজ করছি এবং আশা করব ইউএপিও হবে তাদের মধ্যে অন্যতম। ভবিষ্যতে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে একাডেমিক উৎকর্ষ সাধনে আমরা একসঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক।’

অনুষ্ঠানের বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধানেরাও উপস্থিত ছিলেন। শেষে আমন্ত্রিত অতিথিদের হাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। এ ছাড়া প্রতিনিধি দল দুটি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগ, শ্রেণিকক্ষ, পরীক্ষাগার, কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার ও মিলনায়তন পরিদর্শন করেন।

প্র স্বপ্ন নিয়ে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন