বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

স্মৃতিতে কৃতীরা

এ কলেজে যাঁরা শিক্ষকতা করেছেন, তাঁদের মধ্যে অধ্যাপক আবদুল্লাহ আবু সায়ীদের বাবা আজিম উদ্দিন আহমেদ, নাজির আহমেদ (হিসাববিজ্ঞানের বহু বইয়ের লেখক), বাংলা একাডেমি পুরস্কারপ্রাপ্ত কবি মাহবুব সাদিক, কবি সাযযাদ কাদির, ছড়াকার শফিক ইমতিয়াজের নাম উল্লেখযোগ্য।

এ কলেজের শিক্ষার্থীরা বরাবরই ছিলেন রাজনীতি সচেতন। মুক্তিযুদ্ধসহ দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক আন্দোলনে রয়েছে তাঁদের অনন্য ভূমিকা।

প্রয়াত নাট্যকার সেলিম আল দীন, বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের একাধিকবার নির্বাচিত সহসভাপতি (ভিপি) ও ছাত্র ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি খন্দকার মো. ফারুক, যুদ্ধাপরাধীদের বিচারের জন্য গঠিত ট্রাইব্যুনালের প্রয়াত প্রধান প্রসিকিউটর জিয়াদ আল মালুম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ফেরদৌস হোসেন, কবি মাহমুদ কামাল, জাহাঙ্গীর ফিরোজসহ বহু কৃতী শিক্ষার্থী নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত।

সংগঠনে সমৃদ্ধ

সরকারি সা'দত কলেজ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত। কলেজের সুবিশাল মূল ভবনটি ছাড়াও রয়েছে দ্বিতল লাইব্রেরি ভবন। এই লাইব্রেরিতে হাতে লেখা কোরআন শরিফ, হাতে লেখা শাবনামাসহ ২৮ হাজার ৩০০ বই রয়েছে। এ ছাড়া ক্যাম্পাসে তিনটি ছাত্রাবাস, অধ্যক্ষের ভবন, শহীদ মিনার, বিশাল খেলার মাঠ, মসজিদ, দুটি পুকুর, ক্যানটিন, ডাকঘর, চিকিৎসাকেন্দ্র রয়েছে। এই কলেজে এসেছিলেন বিদ্রোহী কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর স্মৃতিতে এখানে গড়ে তোলা হয়েছে নজরুল কুটির নামে একটি বিশ্রামাগার। কলেজে বিএনসিসি, রোভার স্কাউট, গার্লস ইন রোভার, রেড ক্রিসেন্ট, রক্তদাতাদের সংগঠন বাঁধনের কার্যক্রম রয়েছে। এ ছাড়া শিল্পলোক, আবৃত্তি সংসদ, ডিবেটিং ক্লাবসহ কয়েকটি সাংস্কৃতিক ও শিক্ষামূলক সংগঠন সক্রিয় আছে।

ছাত্র–শিক্ষকদের পরিবহনের জন্য পাঁচটি বাস ও একটি মাইক্রোবাস রয়েছে। কলেজে শিক্ষকের সংখ্যা ১৩৩।

কলেজের বর্তমানে অধ্যক্ষের দায়িত্বে আছেন বাংলা ভাষার প্রাচীনতম পদ সংকলন চর্যাপদ গবেষক আলীম মাহমুদ। তিনি বলেন, 'প্রায় শত বছর আগে নিভৃত পল্লিতে এই কলেজ স্থাপনের মধ্য দিয়ে দরিদ্র সাধারণ মানুষের দুয়ারে উচ্চশিক্ষার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছিল। এ অঞ্চলে শিক্ষা বিস্তারে এ কলেজের ভূমিকা অপরিসীম। এ কলেজ অনেক গুণী মানুষ তৈরি করেছে। কলেজের শিক্ষার গুণগত মানোন্নয়নে আমাদের প্রচেষ্টা অব্যাহত আছে।'

প্র স্বপ্ন নিয়ে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন