বিজ্ঞাপন
default-image

বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল-কলেজ থেকে চৌহদ্দি পর্যন্ত দুই পাশে কৃষ্ণচূড়ার ফুলের সঙ্গে সেই পথ পেরিয়ে আমরা প্রান্তিক আর চৌরঙ্গির সংযোগস্থলে পৌঁছলাম। এখানে কৃষ্ণচূড়াসহ বিভিন্ন গাছের ছায়ায় পদ্মপুকুর তার সেরা রূপ তুলে ধরেছে। বলে রাখা দরকার, আমাদের সময়ে এখনকার এই পদ্মপুকুর একটা ঝোপঝাড়পূর্ণ জলাশয় ছিল। যত্নের প্রতিদানে এখন সেটি নিজেকে আকর্ষণীয় করে তুলেছে। এখান থেকে পুরোনো ট্রান্সপোর্ট এলাকা হয়ে কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগার পর্যন্ত রাস্তায় নানা রকম দেশি–বিদেশি গাছ ফুল-পাতায় বৃষ্টিভেজা গ্রীষ্মের সজীবতা জানান দিচ্ছে। ট্রান্সপোর্ট অফিসের উল্টা দিকে কাঁঠালচাঁপার গাছ দুটো ফুলে ফুলে একাকার, গাছের নিচে সবুজ ঘাসের গালিচায় ঝরা ফুলের বিছানা পেতে রেখেছে। লেকগুলোয় কয়েকটা বক আর জলপিপি অলস সময় কাটাচ্ছে। যদিও পুরোনো কলা ভবনের সামনের লেকের পানি খুব একটা ভালো অবস্থায় আছে বলে মনে হলো না।

করোনাকালে আমাদের জীবনযাপনে বিঘ্ন ঘটলেও প্রকৃতি তার আপন খেয়ালে নিজেকে সাজিয়ে তুলছে। অনুকূল পরিবেশের কারণে ক্যাম্পাস এখন আরও সজীব, সুন্দর। প্রকৃতি হয়তো নিজের মতো করে সবাইকে নতুনভাবে বরণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

প্র স্বপ্ন নিয়ে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন