বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন
default-image
পড়ালেখা থেকে দূরে থাকায় বিরূপ প্রভাব পড়েছে আমাদের শিক্ষাজীবনে। ক্যারিয়ার নিয়ে দুশ্চিন্তা দিন দিন বাড়ছে। তার সঙ্গে বাড়ছে মানসিক চাপ। এই পরিস্থিতি থেকে দ্রুত উত্তরণের জন্য শিক্ষার্থীদের করোনার টিকা দেওয়া খুব জরুরি হয়ে পড়েছে। টিকা নিশ্চিত হলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দিয়ে আটকে থাকা পরীক্ষাগুলো হয়তো দ্রুত পাঠ পরিকল্পনার মাধ্যমে শেষ করা সম্ভব হবে। আমাদের শিক্ষা জীবনের ক্ষতি কিছুটা হলেও পুষিয়ে নেওয়া যাবে।
সাহিদুল ইসলাম ভূঁইয়া, দর্শন বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা
default-image
একটা সময় শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের সশরীরী উপস্থিতি ও চিন্তা-চেতনা-ভাবনা প্রকাশের মূল কেন্দ্র ছিল ক্লাসরুম। এখন করোনা মহামারির ভয়াবহ সংকটে বন্ধ হয়ে আছে ক্লাসরুমের দরজা। যখন শিক্ষাজীবন থেকে কর্মজীবনে প্রবেশ করার কথা, তখন প্রহর গুনছি শিক্ষাজীবন শেষ হবে কবে? প্রায় ১৪ মাস শেষ হচ্ছে এই অপেক্ষার। জীবন থেকে ঝড়ে যাচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সময়। যেখানে সাধারণ সময়ে একজন শিক্ষার্থী স্নাতকোত্তর শেষ করে ২৫-২৬ বছর বয়সে, সেখানে আরও এক-দেড় বছর যোগ হওয়া মানে স্বপ্ন থেকে আরও পিছিয়ে যাওয়া। মানবজাতির দীর্ঘ ইতিহাস বলছে, আমরা নানা দুর্যোগ থেকে সব সময়ই বেঁচে ফিরেছি, ঘুরে দাঁড়িয়েছি নতুন উদ্যমে। যদি যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়া হয়, আমার দৃঢ় বিশ্বাস—শিক্ষার ওপরে যে প্রভাব পড়েছে, তা থেকে কিছুটা হলেও উত্তরণ সম্ভব।
সামিয়া হক, আইন বিভাগ, কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
default-image
স্কুল-কলেজ খুলে দেওয়া নিয়ে আলোচনা চলছে, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় খোলার তেমন কোনো পরিকল্পনা এখনো সরকার নেয়নি। যার কারণে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থী হিসেবে আমি আমার ভবিষ্যৎ নিয়ে অনেকটাই সংশয়ের মধ্যে আছি। আমাদের বিভাগের শিক্ষকেরা অনলাইনে ক্লাস নিচ্ছেন। কিন্তু গ্রামে ইন্টারনেট দুর্বল হওয়ার কারণে অনেক সময় ঠিকমতো ক্লাস করতে পারি না। পড়া বুঝতেও সমস্যা হয়। তাই আমার পরামর্শ-যত দ্রুত সম্ভব সরকারের উচিত বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা। এ জন্য প্রতিটা বর্ষকে আলাদা আলাদাভাবে ভাগ করে পর্যায়ক্রমে তাদের পরীক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা গ্রহণ করা যেতে পারে।
নূর আলম রিসাদ, শিক্ষার্থী, রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়
default-image
অনিশ্চয়তায় ধুঁকছে শিক্ষা ব্যবস্থা, শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ। দেশের বর্তমান প্রযুক্তিব্যবস্থা বিবেচনায় নিলে সর্বস্তরে অনলাইনে ক্লাস বাস্তবায়ন একটি বড় চ্যালেঞ্জ। একে তো যথাযথ ডিভাইস নেই, তার ওপর খরচ বহন করাও অনেকের পক্ষে সম্ভব না। এখন অনলাইনে ক্লাসকে শুধু মানসিক চাপ বলে মনে হয়। যদি কর্তৃপক্ষ এই সিদ্ধান্তে অটুট থাকে যে অনলাইনেই ক্লাস চলবে, তাহলে সবার অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে হবে। অন্যথায় একটি অংশ উপকৃত হবে, আর অন্যদিকে বড় একটা অংশ হয়তো পিছিয়ে পড়বে।
তানজিলা আক্তার, ফার্মেসি বিভাগ, ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি
প্র স্বপ্ন নিয়ে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন