বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আমাদের গবেষণায়ও অনেক শিশু ঝরে পড়ার বিষয়টি এসেছে। কিছু শিশু বাল্যবিবাহ ও কিছু শিশু শিশুশ্রমের কারণে ঝরে পড়ছে। তবে স্কুল খোলার ক্ষেত্রে সরকারি জায়গা থেকে হাত ধোঁয়ার ব্যবস্থা, সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখা, স্বাস্থ্যবিধি মানাসহ প্রয়োজনীয় সব উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। স্কুল, স্থানীয় শিক্ষা প্রশাসন ও বেসরকারি সংস্থাসহ আমরা সবাই মিলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো নিরাপদ অবস্থায় রাখার চেষ্টা করছি। যেন শিশুরা নিরাপদে ও আনন্দ নিয়ে স্কুলে আসতে পারে।

default-image

আয়শা জাহান

শিক্ষক হিসেবে আমি সরাসরি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যুক্ত। এ বছরের ১২ সেপ্টেম্বরে স্কুল খুলে দেওয়ার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উপচে পড়া ভিড় ছিল। শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে আনন্দঘন পরিবেশ তৈরি হয়েছে। আমাদেরও সব রকম প্রস্তুতি ছিল। জীবাণুনাশক টানেলের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের প্রবেশ করানো, স্বাস্থ্যবিধি মেনে শিক্ষার্থীদের শ্রেণিকক্ষে বসানো ও মাস্ক ব্যবহার নিশ্চিত করা হয়েছিল। প্রথম দুই সপ্তাহ অত্যন্ত সন্তোষজনক উপস্থিতি ছিল। দুই সপ্তাহ পর উপস্থিতি ধীরে ধীরে কিছুটা কমতে থাকে। বিশেষ করে নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীর উপস্থিতি কম ছিল। প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপস্থিতির হার ঠিকই ছিল। শ্রেণিশিক্ষকেরা এসব শিক্ষার্থীর সঙ্গে ব্যক্তিগত পর্যায়ে যোগাযোগ করে দেখেন, তারা শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছে, কিন্তু মানসিকভাবে তারা ভালো অবস্থায় নেই। শ্রেণিকক্ষে তারা আগের মতো উচ্ছ্বসিত ছিল না। কিছু শিক্ষার্থীর মধ্যে আমরা আচরণগত ত্রুটি লক্ষ করি। তারা পড়াশোনায় মনোযোগী হচ্ছিল না। এ বিষয়টি আমার কাছে আগের চেয়ে একটু ভিন্নতর মনে হয়েছে।

default-image

প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য

গত বছর শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যঝুঁকির কথা চিন্তা করে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়, যেন শিক্ষার্থীরা বাসায় নিরাপদে থাকতে পারে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের পরপরই সরকার সে সময় ভিন্নভাবে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখার নির্দেশ দেন। ২৯ মার্চ ২০২০ থেকেই আমরা সংসদ টিভির মাধ্যমে শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করি। নেটওয়ার্কের সমস্যার কারণে সংসদ টিভির মাধ্যমে সারা দেশে পৌঁছানো সম্ভব হচ্ছিল না। তখন স্কুলগুলোকে নিজেদের উদ্যোগে অনলাইন ক্লাস নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়। তখন স্কুল ও কলেজগুলোতে অনলাইন ক্লাস শুরু হয়। এটা ঠিক, অল্প কিছু শিক্ষার্থীর কাছে সংসদ টিভি ও অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমেও পৌঁছানো যাচ্ছিল না। মোবাইলে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ বজায় রাখতে শিক্ষকদের নির্দেশনা দেওয়া ছিল। এসব ক্ষেত্রে আমাদের শিক্ষকেরা তাঁদের জায়গা থেকে যথেষ্ট চেষ্টা করছেন। পাশাপাশি সংসদ টিভিতে মানসিক স্বাস্থ্য বিষয়ে বেশ কটি ক্লাস প্রচার করা হয়েছে। ২০২০ সালের শেষ দিকে আমরা অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রম শুরু করি। এ নিয়ে আমরা একটি গবেষণাও করি। গবেষণায় এসেছে, ৯৪ শতাংশ শিক্ষার্থী অ্যাসাইনমেন্ট কার্যক্রমে যুক্ত হয়েছে। বাল্যবিবাহসহ অন্যান্য কারণে কতসংখ্যক শিক্ষার্থী মূল শিক্ষা কার্যক্রমের সঙ্গে নেই, সে তথ্য সংগ্রহে আমরা কাজ করছি। এ সংখ্যাটা বের করে তাদের স্কুলে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা আমাদের রয়েছে।

রিফাত বিন সাত্তার

শিক্ষার মান ও শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ। শিশুরা শুধু পড়াশোনার জন্যই স্কুলে যায় না। স্কুলে গেলে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা হয়, সময় কাটানো যায়—এগুলো শিশুর মানসিক বিকাশ ও স্বাস্থ্যের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। গত বছর সেভ দ্য চিলড্রেন থেকে একটি গবেষণা করা হয়। এ গবেষণায় অংশ নেওয়া ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী তাদের বাসায় নির্যাতনের হার বেড়ে যাওয়ার কথা জানায়। এসব শিশুর মধ্যে ১৯ শতাংশ প্রথমবারের মতো নির্যাতনের শিকার হয়েছে। অর্থাৎ তারা আগে কখনোই মা–বাবার কাছে শারীরিক শাস্তি পায়নি। অথচ কোভিডকালে তাদের শারীরিক শাস্তির শিকার হতে হয়েছে। কারণ, কোভিডকালে সবাই একটা মানসিক সংকটের মধ্য দিয়ে গেছে। সবার জন্যই এটা প্রথম অভিজ্ঞতা ছিল। নিম্ন আয়ের মানুষের অর্থনৈতিক সংকট চরম পর্যায়ে গিয়েছিল, যার একটা বড় প্রভাব পড়েছে শিশুদের ওপর।

একদিকে শিশুরা স্কুলে যাওয়া, বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করা, খেলাধুলা করা—কোনোটাই করতে পারছে না। বাসায় বন্দী হয়ে আছে। তার ওপরে মা–বাবার কাছে তারা শারীরিক বা মানসিক শাস্তি পাচ্ছে। তার পর ১৮ মাস পরে স্কুল খুলল। ঘরে বন্দী থাকার কারণে শিক্ষার্থীদের ওপর প্রচণ্ড মানসিক চাপ পড়েছে। এই দীর্ঘ সময়ের শিক্ষা ঘাটতি পূরণ করা অনেক কঠিন। সরকারের দূরশিক্ষণের উদ্যোগ খুব প্রশংসনীয়। এ ক্ষেত্রে আমরা অনেক দেশের চেয়ে এগিয়ে আছি। কিন্তু বাস্তবতা হলো, সবাই এ শিক্ষার সঙ্গে যুক্ত হতে পারেনি। কারণ, শতভাগ শিক্ষার্থীর প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ নেই। সে জন্য এখন পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শিক্ষার মান নিয়ে আমাদের ভাবতে হবে। এ নিয়ে সরকারের অনেক রকম চিন্তাভাবনা আছে। কোভিড বাস্তবতায় শিক্ষা, স্বাস্থ্যব্যবস্থাসহ সার্বিক উন্নয়নের প্রেক্ষাপটে নতুন করে ভাববার জায়গা আছে। সে জন্য শিক্ষাব্যবস্থায় একটা পরিবর্তন লাগবে, যেন ১৮ মাসের শিক্ষাঘাটতি কাটিয়ে উঠতে পারি।

আয়শা জাহান

করোনা পরিস্থিতিতে শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছানো ও শিক্ষার্থীদের আমাদের গ্রহণ করার ক্ষেত্রে দুই পক্ষেরই সীমাবদ্ধতা তৈরি হয়েছে। গত ২৪ নভেম্বর থেকে ৩০ নভেম্বর বার্ষিক মূল্যায়ন চলাকালে সপ্তম শ্রেণির একজন শিক্ষার্থীকে লক্ষ করি। বহু নির্বাচনী প্রশ্নে উল্লেখ ছিলো উত্তরপত্রের নির্দিষ্ট জায়গায় উত্তরটি লিখো। কিন্তু একজন শিক্ষার্থী সেখানে উত্তরটি না লিখে সঠিক উত্তরটিতে টিক চিহ্ন দিয়ে যাচ্ছিল। অর্থাৎ সে পদ্ধতিটি যথারীতি ভুলে গেছে। অর্থাৎ সে পরীক্ষা পদ্ধতিটিই ভুলে গেছে। আমাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আচরণের ক্ষেত্রে আরও বেশি সহনশীল হওয়া প্রয়োজন। এসব সমস্যা থেকে উত্তরণে আমাদের পাঠদান পদ্ধতির পরিবর্তন করা যেতে পারে। শিক্ষক কেবল বই নিয়ে পড়াবেন না। তিনি শ্রেণিকক্ষে প্রথমেই শিক্ষার্থীদের খোঁজখবর নেবেন। তিনি যা বলতে চান, তা গল্পের মাধ্যমেও বলা যায়। শিক্ষার্থীরাই প্রশ্ন করুক। সে অনুযায়ী শিক্ষক শেখাবেন। শিক্ষার্থীরা সক্রিয় থাকবে। শিক্ষক থাকবেন শিক্ষার্থীনির্ভর।

প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য

শিক্ষার্থীদের শিক্ষা ঘাটতি জানার জন্য আমরা অ্যাসাইনমেন্ট দিয়েছিলাম। কোন শ্রেণিতে কোন শিখনফল দরকার—আমাদের জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন। শিখনফলের সঙ্গে পরবর্তী শ্রেণির পাঠ্যক্রমের সংযোগ থাকে। কিছু শিখনফল হয়তো পরবর্তী শ্রেণিতেও রয়েছে। ফলে এ শ্রেণিতে এটা পড়া না হলেও পরবর্তী শ্রেণিতে শিক্ষার্থীরা তা শিখতে পারবে। যা পরবর্তী শ্রেণিতে নেই, তা তাদের শেখাতে হবে। এর ওপর নির্ভর করে বিশেষজ্ঞ দল একটি পাঠ্যক্রম দিয়েছে। আমরা মূল্যায়ন পদ্ধতির পরিবর্তনের দিকে যাচ্ছি৷ আমাদের পাঠ্যক্রমেও পরিবর্তন আনা হবে। সে জন্য আগামী বছর ১০০টি প্রতিষ্ঠানে ষষ্ঠ শ্রেণির পাঠ্যক্রমে পরীক্ষামূলক ভিত্তিতে পরিবর্তন আনছি। এসব প্রতিষ্ঠানের সব শিক্ষককে প্রশিক্ষণের আওতায় নিয়ে আসা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলার গবেষকদেরও প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হয়েছে। আমরা মূল্যায়ন পদ্ধতি পরিবর্তন করছি। যেন শিক্ষার্থীরা শিখে আনন্দ পায়। শিক্ষার্থীদের মাথায় যেন এ প্লাস পাওয়ার বাড়তি চাপ না থাকে। স্কুলে ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি পদ্ধতি আনা হয়েছে। রোল নম্বরের পরিবর্তে আইডি নম্বর দেওয়ার কথাও বলা হয়েছে। শিক্ষার্থীরা যেন আনন্দের সঙ্গে লেখাপড়া শিখতে পারে, সেদিকে নজর রেখেই আমরা পরিবর্তনগুলো আনছি।

রিফাত বিন সাত্তার

গবেষণায় আমরা একটা গড় তথ্য পাই, যা দিয়ে অনেক সময় সার্বিক চিত্র বোঝা কঠিন। শিক্ষার উপকরণ, শিক্ষাপদ্ধতির ক্ষেত্রে ভিন্নভাবে সক্ষম শিশুদের কথাও মাথায় রাখতে হবে। তাদের ক্ষেত্রে একই পদ্ধতি কাজ করবে না। তাদের জন্য আলাদা কিছু করতে হবে। ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিশুদের জন্য আলাদা কাজ করা প্রয়োজন। অর্থাৎ দেশে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষাব্যবস্থা অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। শিক্ষার্থীদের স্কুলে ফিরিয়ে আনতে সরকারের উদ্যোগ প্রশংসনীয়। ‘নিরাপদ স্কুলে ফিরি’ প্রচারাভিযানে বর্তমানে ২১টি সংস্থা কাজ করছে। আমরা সবাই মিলে সরকারের পাশে থাকার চেষ্টা করছি। শিশুরা যেন শিক্ষার সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতে পারে, সে জন্য আমরা কাজ করছি। এ ক্ষেত্রে সরকার ও বেসরকারি সংস্থাগুলোর প্রাক্‌–প্রাথমিক থেকে উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত একসঙ্গে কাজ করা প্রয়োজন। সবাই যেন শিক্ষার আওতায় আসে ও মানসম্মত শিক্ষা পায়, সে জন্য আমাদের সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে। প্রান্তিক িশশুদের কথা মাথায় রেখে পরিকল্পনা করলে সবাই উপকৃত হবে।

আয়শা জাহান

আমরা শিক্ষার্থীদের ফিরিয়ে আনার জন্য অপেক্ষা করছি। বেশির ভাগই ফিরে এসেছে। সরকারি, বেসরকারি ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উদ্যোগের পাশাপাশি অভিভাবকদের সচেতন থাকতে হবে। প্রান্তিক শিক্ষার্থীদের সরকারের বিভিন্ন উপবৃত্তি, দুপুরের খাবারের আওতায় আনা গেলে মানসম্মত শিক্ষা বাস্তবায়িত হবে।

প্রবীর কুমার ভট্টাচার্য্য

অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার বিষয়টি এসেছে। আমরা বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষার জন্য তাঁরা স্কুলের শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ দেবেন। যেন শিক্ষকেরা বিশেষ শিশুদের প্রতি নজর দেন। ১০০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নেওয়া পরীক্ষামূলক প্রকল্পে সব ক্যাটাগরির শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রয়েছে। এখানে চরাঞ্চল, পাহাড়ি অঞ্চল, নদীভাঙন অঞ্চল, কম শিক্ষক থাকা প্রতিষ্ঠানসহ ভালো স্কুলও রয়েছে। ফলে এ পাঠক্রম বাস্তবায়নে কী ধরনের চ্যালেঞ্জ আসবে, তা জানা যাবে। সে অনুযায়ী এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা যাবে। আপনারা অংশীদার সংস্থাগুলো আমাদের সঙ্গে থাকলে চমৎকার পাঠ্যক্রম ও গুণগত শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারব।

ফিরোজ চৌধুরী

আজকের আলোচনায় শিশুদের স্কুল থেকে পিছিয়ে পড়া, ঝরে পড়া, বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রমের বিষয়গুলো এসেছে। করোনা–পরবর্তী সময়ে আমরা যেন সব কটি চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে পারি। আমরা যেন সব শিশুর জন্য মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করতে পারি, সেই উদ্যোগ অব্যাহত রাখা জরুরি। সুবিধাভোগী শিশুদের পাশাপাশি গ্রামাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের স্কুলমুখী করতে সরকারি–বেসরকারি সমন্বিত উদ্যোগ দরকার। আলোচনায় অংশগ্রহণের জন্য আপনাদের সবাইকে অনেক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা।

সুপারিশ

  • শিক্ষাকে অন্তর্ভুক্তিমূলক করার জন্য প্রয়োজনীয় উদ্যোগ দরকার।

  • সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের উপবৃত্তি ও দুপুরের খাবারের আওতায় আনা যেতে পারে

  • ভিন্নভাবে সক্ষম শিশুদের বিবেচনায় রেখে জাতীয় পাঠ্যক্রম তৈরি করা জরুরি।

  • শারীরিক স্বাস্থ্যের পাশাপাশি শিক্ষার্থীদের মানসিক স্বাস্থ্যের বিষয়ে শিক্ষক ও অভিভাবকদের সচেতন হতে হবে।

  • সুবিধাবঞ্চিত ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর শিশুদের জন্য আলাদাভাবে কাজ করা প্রয়োজন

  • শিক্ষাসংশ্লিষ্ট সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের কার্যকর সমন্বয় প্রয়োজন।

প্র স্বপ্ন নিয়ে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন