বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই সব অনলাইনে চলে গিয়েছিল। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সামনাসামনি দেখা হওয়ার জন্য নিশ্চয়ই মুখিয়ে ছিলেন?

১৫ ডিসেম্বর আমরা ক্যাম্পাসে ক্লাস শুরু করেছি। সকাল সাড়ে আটটা থেকে আমাদের ক্লাস শুরু হয়। ছাত্রছাত্রীদের স্বাগত জানাতে আমি গেটের কাছেই দাঁড়িয়ে ছিলাম। পাশাপাশি স্বাস্থ্য সুরক্ষার বিষয়গুলো শিক্ষার্থীরা মেনে চলছে কি না, সেটাও লক্ষ করছিলাম। যাদের মাস্ক ছিল না, তাদের মাস্ক দিয়েছি। খুব সকালেই প্রচুর ছাত্র ক্যাম্পাসে আসছিল। প্রত্যেকের সঙ্গে কথা হয়েছে। খুব ভালো লেগেছে।

পড়ালেখার পাশাপাশি সহশিক্ষা কার্যক্রমে আপনারা সব সময় বিশেষভাবে জোর দেন। ক্যাম্পাস খোলার পর কি অফলাইনে অনুষ্ঠান, আয়োজন শুরু হয়েছে?

হ্যাঁ। ক্লাবগুলোর কার্যক্রম পুরোদমে চলছে। গত ১৫ ডিসেম্বর বেশ বড় করে একটা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হলো। আমরা খুব বেশি শিক্ষার্থীর সমাগম করতে চাইনি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত দেখা গেছে, প্রায় দুই হাজার ছাত্রছাত্রী মাঠের মধ্যে জড়ো হয়ে গেছে। ওদের তুমুল আগ্রহ দেখে আমরা বাধা দিতে পারিনি।

আপনার কাছে বিইউবিটির সবচেয়ে বড় শক্তির জায়গা কোনটা?

প্রথমত, আমাদের শিক্ষক। তাঁরা খুবই যোগ্য। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিজেদের অভিজ্ঞতা ভাগাভাগি করে নেওয়ার ব্যাপারে তাঁরা খুব আন্তরিক। পাশাপাশি আমাদের পড়ালেখার কার্যকর ধরন। যেমন বিশ্বব্যাংকের সহায়তায় আমরা একটা ল্যাঙ্গুয়েজ ল্যাব স্থাপন করেছি। তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সহায়তায় একটি আধুনিক মোবাইল অ্যাপস ও গেমস ল্যাব চালু করেছি। এসব ল্যাবে শিক্ষার্থীরা হাতে-কলমে কাজের অভিজ্ঞতা পাচ্ছে। সব শেষে বলব, আমাদের সুন্দর ক্যাম্পাসের কথা। চারটি ভবন মিলিয়ে প্রায় তিন লাখ বর্গফুট জায়গাজুড়ে বিইউবিটির প্রাঙ্গণ। এখানে আন্তর্জাতিক মানের কনফারেন্স হল আছে। খুব সুন্দর।

২০২২ সাল নিয়ে আমরা কেন আশাবাদী হব?

প্রথমত, করোনা কিন্তু আমাদের অনেক কিছু শিখিয়েছে। যদিও আমরা অনেক বন্ধু-স্বজনকে হারিয়েছি, অনেকে অনেক বেশি ভুগেছে। কিন্তু কীভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হয়, সেটা কিন্তু করোনা আমাদের শিখিয়েছে। দ্বিতীয়ত, করোনার কারণেই আমাদের ছাত্রছাত্রীরা অন্যভাবে ভাবতে শুরু করেছে। যাদের গ্র্যাজুয়েশন শেষ হয়ে গেছে বা শেষের পথে আছে, তারা এখন ভাবছে অনলাইনে কীভাবে ব্যবসা করা যায়। আমাদের ব্যবসায় শিক্ষার ছাত্ররা অনলাইনে ব্যবসা করছে, প্রকৌশলের ছাত্ররা নতুন নতুন অ্যাপস তৈরি করছে। করোনার কারণেই তারা ক্যারিয়ারের ব্যাপারে আরও বেশি সচেতন হয়েছে।

প্র স্বপ্ন নিয়ে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন