ইন্দোনেশিয়ায় সবাই জাভা, জাকার্তা ঘুরতে যায়; আমি গিয়েছি পড়তে। ক্লাসরুমে কম্বোডিয়া, মাদাগাস্কারসহ নানা দেশের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে দেখা হয়েছে। পড়ার বাইরে আমাদের বাটিক শেখানো হয়। কাপড়ের ওপর বাটিকের নকশা কীভাবে করতে হয়, তা জেনেছি বিশ্ববিদ্যালয়ে। এ ছাড়া ইন্দোনেশিয়ার সংস্কৃতি, গান ও বাদ্যযন্ত্রের সঙ্গে পরিচয় করানোর জন্য আমাদের নানা সাংস্কৃতিক আয়োজনের সঙ্গে যুক্ত করা হয়।

পড়ার পাশাপাশি আমি ইন্দোনেশিয়ার বিভিন্ন স্কুলে স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে কাজ করেছি। ইন্দোনেশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় শিক্ষার্থীদের সহশিক্ষা কার্যক্রমে ভীষণ উৎসাহ দেওয়া হয়। শিক্ষার্থীরা বাস্কেটবল, দাবা, টেবিল টেনিস থেকে শুরু করে মার্শাল আর্ট শেখা ও চর্চার সুযোগ পায়। ইন্দোনেশিয়ার নাচ ও গানও শেখানো হয় শিক্ষার্থীদের।

আমার বিশ্ববিদ্যালয়টি ইন্দোনেশিয়ার অন্যতম পুরোনো ও বড় বিশ্ববিদ্যালয়। ওয়েস্ট জাভার বান্দুংয়ে এর ক্যাম্পাস। জাভার প্যারিস বলা হয় বান্দুংকে। এখানকার ফ্যাশন পুরো ইন্দোনেশিয়ায় জনপ্রিয়।

ইন্দোনেশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় ওদের মাতৃভাষাকে ভীষণ গুরুত্ব দেওয়া হয়। তাই সব বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার মাধ্যম বাহাসা ভাষা। এ ভাষায় কথা বললেও আমার বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজিতে পড়ার সুযোগ আছে। আমার মাস্টার্স প্রোগ্রাম ছিল তিন বছরের। প্রথম বছরে বাধ্যতামূলকভাবে বাহাসা ভাষা শিখতে হয়েছে। আমি এখন মোটামুটি বাংলা-ইংরেজি ছাড়াও পুরোদস্তুর বাহাসা ভাষায় যোগাযোগ করতে পারি।

প্র স্বপ্ন নিয়ে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন