বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

আমাদের ক্লাসের পড়াশোনা পুরোটাই গবেষণামুখী। স্নাতক পর্যায় থেকেই শিক্ষার্থীদের গবেষণায় যুক্ত হতে হয়। স্নাতকোত্তর পর্যায়ে পড়াশোনা ও গবেষণার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হয়। এখানকার শিক্ষা বাংলাদেশের মতো মুখস্থনির্ভর নয়, এখানে পরীক্ষার খাতায় পাতার পর পাতা লিখলেও নম্বর পাওয়া যায় না। শিক্ষার্থীদের সৃজনশীল ও গবেষণার দিকটি মেধা ও পরীক্ষার মূল্যায়নে বিবেচনা করা হয়।

আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়াশোনার চাপ অনেক বেশি। এখানে প্রতি সামারে শিক্ষার্থীদের সামার স্কুলে অংশ নিতে হয়। সামার স্কুলের অংশ হিসেবে ইউরোপের বিভিন্ন দেশের শিক্ষার্থী, গবেষক ও অধ্যাপকদের ক্লাসে অংশ নেওয়ার সুযোগ থাকে। নানা মেধাগত প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। আমি একটি প্রতিযোগিতায় ৩০০ ইউরো পুরস্কার পেয়েছিলাম। বসনিয়ার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্নাতক শেষ করে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে স্নাতকোত্তর কিংবা পিএইচডির সুযোগ পাওয়া যায়। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্র-কানাডায়ও গবেষণার ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাওয়া যায়।

প্র স্বপ্ন নিয়ে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন