বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

পজিটিভ-নেগেটিভ একসঙ্গে

বিশ্ববিদ্যালয়জীবন পেরিয়ে আইনস্টাইন বিয়ে করেছিলেন মিলেভা ম্যারিককে। মিলেভা ছিলেন তাঁরই সহপাঠী, ক্লাসের সবচেয়ে মেধাবী ছাত্রী। দুজনই পদার্থবিজ্ঞানী হওয়ার কারণে বাস্তব জীবনেও পদার্থবিজ্ঞান নিয়ে তাঁদের বিপুল আগ্রহ ছিল। তাই তাঁরা নিজেদের দুই ছেলের ডাকনাম রেখেছিলেন পজিটিভ ও নেগেটিভ। কারণ, পদার্থবিজ্ঞানে বিপরীতধর্মী কণা একে অপরকে আকর্ষণ করে একসঙ্গে থাকে। দুই ভাইকে এক রাখতেই এমন বুদ্ধি করেছিলেন আইনস্টাইন-মিলেভা দম্পতি।

তুমি আগে

প্রায় ১৭ বছরের প্রথম সংসারজীবন ছেড়ে আইনস্টাইন বিয়ে করেন মামাতো বোন এলসাকে। এলসা খুব সাধারণ ঘরের মেয়ে। পদার্থবিজ্ঞানের কিছু নিয়েই তাঁর তেমন ধারণা ছিল না। এলসা ভাবতেন, ‘জেনারেল রিলেটিভিটি’ জার্মান আর্মির কোনো অফিসার পদ হবে! তো আইনস্টাইন একদিন ভাবলেন, তিনি এলসাকে থিওরি অব রিলেটিভিটি বোঝাবেন। তিনি উদাহরণ দিয়ে বোঝাতে শুরু করলেন, ‘যদি কোনো সুন্দরী মেয়ের সঙ্গে সময় কাটানো শুরু করি, তাহলে এক ঘণ্টা কাটালেও মনে হবে এক মিনিট থেকেছি। কিন্তু রান্নাঘরের চুলার আগুনে যদি এক মিনিট হাত রাখি, সেটা এক ঘণ্টা মনে হবে।’ আইনস্টাইন এলসাকে বাস্তব উদাহরণ দিতে রান্না ঘরে নিয়ে গেলেন। বুদ্ধিমতী এলসা শুরুতেই বললেন, ‘তুমি আগে হাত দাও।’

তোমাকে কেউ চেনে না

পোশাক, খাবার আর বাড়ির ঠিকানা ভোলার অভ্যাস তো আইনস্টাইনের ছিলই। অফিসে যাওয়ার সময় তাঁকে মার্জিত পোশাক পরার জন্য জোর করতেন তাঁর স্ত্রী। কিন্তু আইনস্টাইন বলতেন, ‘কেন? ওখানে সবাই তো আমাকে চেনে।’ জীবনের প্রথম গুরুত্বপূর্ণ সেমিনারের দিন আইনস্টাইন যখন রওনা হচ্ছেন, সেদিনও স্ত্রী তাঁকে ভালো পোশাক পরতে বলছিলেন। বরাবরের মতো প্রশ্ন করে বসলেন আইনস্টাইন, ‘কেন? কী প্রয়োজন সেটার?’ স্ত্রী ঠান্ডা গলায় উত্তর দিয়েছিলেন, ‘কারণ, সেখানে তোমাকে কেউ চেনে না’।

সূত্র: দ্য নিউইয়র্কার

প্র স্বপ্ন নিয়ে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন