বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

মোয়াজ্জেম হোসেন জানালেন, বিশ্বের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের লোকপ্রশাসন বিভাগ থেকে মনোনীত প্রায় ৪০০ শিক্ষার্থীকে নিয়ে শুরুতে দুটি আঞ্চলিক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আঞ্চলিক পর্ব দুটি অনুষ্ঠিত হয় গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ও ৬ মার্চ। ১৬ এপ্রিল চূড়ান্ত পর্বে (গ্লোবাল অলস্টার রাউন্ড) ৪টি দল অংশ নেয়। পুরো প্রতিযোগিতার জন্য পুরস্কার (প্রাইজ পুল) হিসেবে বরাদ্দ ছিল প্রায় ১৫০০০ মার্কিন ডলার।

প্রতিযোগিতা সম্পর্কে মোয়াজ্জেম হোসেন বলেন, ‘এখানে প্রতিটি দল তার সদস্যদের নিয়ে ৫ সদস্যের একটি কেবিনেট গঠন করে, যারা একটি কাল্পনিক রাষ্ট্রের প্রতিনিধিত্ব করেন। ধরে নিতে হয়, রাষ্ট্রটি সম্প্রতি একটি মহামারিতে আক্রান্ত হয়েছে। যুগপৎ মহামারি নিয়ন্ত্রণ ও অর্থনীতি সচল রাখার কৌশল নিয়ে এই সিমুলেশন প্রতিযোগিতা। যেমন মহামারি নিয়ন্ত্রণ করতে কেবিনেট চাইলে অনির্দিষ্টকালের জন্য "স্টে অ্যাট হোম অর্ডার" জারি করে মানুষকে ব্যাপক হারে সংক্রমণ ও মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়ে মহামারি নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। অন্যদিকে, অনির্দিষ্ট কালের এই অর্ডার দেশের অর্থনীতিতে ধস নামিয়ে মানুষকে ব্যাপক খাদ্যসংকট ও ভয়াবহ সামাজিক বিশৃঙ্খলার মুখোমুখি করতে পারে।এই উভয়সংকট নিরসনে যে দলটি একটি ভারসাম্যপূর্ণ নীতিমালা প্রণয়ন করতে সক্ষম হয়েছে, তারাই বেশি স্কোর করতে পেরেছে।’ দলগুলোর প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য নম্বর ছিল। নীতিমালা প্রণয়ন শেষে বিচারকেরা প্রশ্ন করেছেন, দলের সদস্যরাও তাঁদের যুক্তি উপস্থাপন করেছেন।

মোয়াজ্জেম হোসেন জানালেন, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় ও নিজ বিভাগকে একটি আন্তর্জাতিক মঞ্চে তুলে ধরতে পেরে তিনি খুবই আনন্দিত। তিনি বলেন, ‘সিমুলেশন থেকে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করলাম, আগামী দিনে সরকারি সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় সংযুক্ত হওয়ার সুযোগ পেলে সেখানে অবদান রাখার চেষ্টা করব।’

প্র স্বপ্ন নিয়ে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন