বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

ইউল্যাব সব সময় ‘অ্যাকটিভ লার্নিং’, অর্থাৎ কার্যকর শিক্ষার কথা বলে। গত দেড় বছরে অনলাইনের মাধ্যমে সেটা কতটুকু সম্ভব হয়েছে বলে আপনার মনে হয়?

আমরা সব সময় চেয়েছি শিক্ষক বন্ধুর মতো ছাত্রছাত্রীর পাশে থেকে শেখাবেন। কিন্তু যখন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে আমরা গেলাম, জুমের ছোট ছোট খোপের ভেতরে ঢুকে পড়লাম, তখন অ্যাকটিভ লার্নিংটা বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়াল। বিশেষ করে আমাদের সিনিয়র শিক্ষকদের জন্য। ভালো শিক্ষকেরা ক্লাসে পড়ানোর সময় ছাত্রছাত্রীদের চোখের দিকে তাকিয়ে ‘এনার্জি’ পান। ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে ক্লাস নেওয়া তাঁদের জন্য কঠিন। কিন্তু যেহেতু আমরা প্রচুর কর্মশালা করিয়েছি, ৪০ জনের ক্লাসরুমকে কখনো কখনো ১০ জন করে ভাগ করে নিয়েছি, তাই কাজটা সহজ হয়েছে। আমরা সবাই প্রযুক্তিকে নানাভাবে ব্যবহার করতে শিখেছি। অনেক সিনিয়র অধ্যাপকও একজন জুনিয়র লেকচারারের কাছে শিখেছেন। ফলে অনেক কিছুই সহজ হয়ে গেছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে শুধু পড়ার বিষয়ে নয়, আরও অনেক ক্ষেত্রে ছাত্রছাত্রীদের মধ্যে একধরনের দক্ষতা তৈরি হয়। যা তাঁদের পেশাজীবনে কাজে লাগে। গত দেড় বছরে এই দক্ষতায় তো একটা ঘাটতি তৈরি হলো। এ ব্যাপারে কি ইউল্যাব কিছু ভাবছে?

শিক্ষার দুটো দিক—গভীরতা আর বিস্তার। যদি গাছের সঙ্গে তুলনা করি, তাহলে বলতে হবে গাছের শিকড় কত গভীর, আর ডালপালা কতখানি ছড়াল। আপনি যে বিষয়ে পড়ছেন, সে বিষয়ের গভীরে যেমন আপনাকে যেতে হবে, তেমনি জ্ঞানের অন্য শাখায়ও নিজেকে ছড়িয়ে দিতে হবে। সে জন্য আমরা দুটো কাজ করেছি। প্রথমত আমাদের পাঠক্রমের ৩০ শতাংশে ‘জিইডি কোর্স’ রাখা হয়েছে। অর্থাৎ শিক্ষার্থী যে বিষয়ে পড়ছে, তার বিষয়ের বাইরেও অন্যান্য বিষয় তাকে পড়তে হবে। দ্বিতীয়ত, আমরা প্রয়োজনীয় দক্ষতা অর্জনের জন্য কিছু কোর্স চালু করেছি। যেমন কম্পিউটার স্কিলস, সোশ্যাল স্কিলস, ফাইন্যান্সিয়াল ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদি। পাশাপাশি প্রত্যেক শিক্ষার্থীর জন্য ক্যাম্পাসের কোনো না কোনো ক্লাবে যোগ দেওয়াটা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যেন তার মধ্যে নেতৃত্বের দক্ষতা তৈরি হয়। আমরা একটা স্লোগান শুরু করেছি—ইউল্যাব বিগিনস উইথ ‘ইউ’। অর্থাৎ তোমাকে গড়ে তোলার জন্যই আমরা আছি।

প্র স্বপ্ন নিয়ে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন