শুধু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়েই প্রায় ৩০০ বাংলাদেশি শিক্ষার্থী পড়েন। আমি বাংলাদেশ সরকারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে মিসর সরকারের বৃত্তি নিয়ে এখানে পড়তে আসি। এ বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রচলিত শিক্ষার পাশাপাশি চিকিৎসাবিজ্ঞান, জ্যোতির্বিজ্ঞান, প্রকৌশল থেকে শুরু করে সব বিষয়ে পড়ার সুযোগ আছে। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়স প্রায় ১ হাজার ৫০ বছর। একদিকে যেমন অতীতের নানা নিদর্শন আমরা দেখতে পাই, তেমনি আধুনিক মিসরও হাজির আমাদের চোখের সামনে।

মিসরে পড়াশোনার ধরন অন্যান্য আরব রাষ্ট্রের চেয়ে বেশ আধুনিক। যেহেতু আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের সুযোগ অনেক বেশি, এখানে তাই বহুমাত্রিক শিক্ষা ও সংস্কৃতির মধ্যে বেড়ে ওঠেন শিক্ষার্থীরা। আমাদের শিক্ষাসফরের অংশ হিসেবে মিসরের পিরামিড থেকে শুরু করে হাজার বছরের নানা ঐতিহাসিক স্থানে নিয়ে যাওয়া হয় নিয়মিত।

বিশ্ববিখ্যাত আলেক্সান্দ্রিয়া লাইব্রেরিতে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে আমার। অতীতের পৃথিবীর চমকপ্রদ বিষয় সম্পর্কে জানতে পেরেছি এখানে। আমরা শিক্ষার্থীরা এ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ে বৈশ্বিক মনন বিকাশের সুযোগ পাচ্ছি।

প্র স্বপ্ন নিয়ে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন