বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন

প্রতিবছরই আয়োজিত হচ্ছে নবীনবরণ, শিক্ষাসফর, বসন্ত ও বৈশাখ উদ্‌যাপনের মতো নানা সহশিক্ষামূলক কার্যক্রম। আয়োজন করা হয় বিভিন্ন প্রতিযোগিতাও। ২০১৯ সালে প্রথমবারের মতো আয়োজিত হয় অ্যানথ্রপোলজিক্যাল প্রেজেন্টেশন প্রতিযোগিতা। সেখানে বিচারক হয়ে এসেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নৃবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ফারহানা বেগম। প্রতিযোগিতাটির এ বছরের আয়োজনে অংশগ্রহণ করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্রছাত্রীরা। প্রাথমিক পর্ব শেষে এখন চূড়ান্ত পর্ব আয়োজনের প্রস্তুতি চলছে।

জানা গেল, প্রতি বুধবার নৃবিজ্ঞান বিতর্ক সংঘের আয়োজনে চলে বিতর্ক প্রতিযোগিতা। আর প্রতি বৃহস্পতিবার বিভাগে প্রদর্শিত হয় চলচ্চিত্র। শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী দীপ্তি সরকার বলেন, ‘আমাদের এখানে মূলত সেসব সিনেমাই দেখানো হয়, যেগুলোতে নৃবিজ্ঞানের বিভিন্ন ধারণা উঠে আসে। শিক্ষার্থীরা সিনেমার সঙ্গে নৃবিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়বস্তুর সম্পর্ক খুঁজে পায়। প্রদর্শনের পর শিক্ষার্থীরা সিনেমা সম্পর্কে তাঁদের মতামত জানায়।’

শুধু চলচ্চিত্র দেখাই নয়, নির্মাণেও ভূমিকা রাখছেন শিক্ষার্থীরা। প্রায় ১৫টি নৃবৈজ্ঞানিক তথ্যচিত্র নির্মাণের কাজ চলছে এই বিভাগের উদ্যোগে। এরই মধ্যে শেষ হয়েছে সুখ, আনটোল্ড হিস্ট্রি অব বেনারস এবং হিজাব শিরোনামে তিনটি তথ্যচিত্রের কাজ। বিভাগটির শিক্ষার্থী তানভীর আহমেদ বলেন, ‘দুই বছর ধরেই আমাদের বিভিন্ন কার্যক্রমের পরিধি বড় করেছি। সব ক্ষেত্রেই শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা পেয়েছি।’

বিভাগটির একাধিক শিক্ষার্থী বর্তমানে দেশের বাইরের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করছেন। এ ছাড়া অনেকে জড়িত আছেন বিভিন্ন গবেষণামূলক কর্মকাণ্ডে; কাজ করছেন উন্নয়নমূলক প্রতিষ্ঠানে।

বিভাগীয় প্রধান দিলরুবা আক্তার মনে করেন, এই বিভাগের বিভিন্ন কার্যক্রমের সঙ্গে যুক্ত থাকার ফলে শিক্ষার্থীরা যেসব দক্ষতা অর্জন করেছে, তারই প্রতিফলন ঘটছে তাদের নিজ নিজ কর্মক্ষেত্রে। তিনি বলেন, ‘আমাদের মূল শক্তির জায়গা হচ্ছে সৃজনশীল তরুণ শিক্ষক এবং তাঁদের পরিকল্পনায় শিক্ষার্থীদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণ। শুধু শ্রেণিকক্ষের পাঠদানই নয়; শ্রেণিকক্ষের বাইরের নানা কার্যক্রমেও শিক্ষার্থীদের পাশে থাকেন শিক্ষকেরা।’

প্র স্বপ্ন নিয়ে থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন