বিজ্ঞাপন

এ ঘটনা ১৯৭১ সালের অক্টোবরের শেষে বা নভেম্বরের প্রথম দিকে। ঘটেছিল ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাট উপজেলার তেলিখালীতে। এটি বাংলাদেশ-ভারত সীমান্তবর্তী একটি গ্রাম। এখানে ছিল পাকিস্তানি সেনাদের দুর্ভেদ্য একটি ঘাঁটি। প্রতিরক্ষায় ছিল পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর ৩৩ পাঞ্জাব রেজিমেন্টের ১২৫ জন সেনাসদস্যের পাশাপাশি বেশ কিছু রেঞ্জার্স ও রাজাকার। সব মিলিয়ে তাদের সংখ্যা ২৩৭। দূরে বাঘাইতলীতে ছিল তাদের গোলন্দাজ বাহিনীর একটি দল।

আবদুল্লাহ-আল-মাহমুদ ১৯৭১ সালে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র। মুক্তিযুদ্ধ শুরু হলে তিনি স্থানীয় প্রতিরোধযোদ্ধাদের সঙ্গে যোগ দেন। পরে তাঁদের সঙ্গে ভারতের ঢালুতে গিয়ে আশ্রয় নেন। এখানে তাঁরা নিজেদের চেষ্টায় একটি প্রশিক্ষণকেন্দ্র গড়ে তোলেন। জুনের পর তাঁদের আনুষ্ঠানিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। আগস্টে তাঁকে ১১ নম্বর সেক্টরের ঢালু সাব-সেক্টরের অধিনায়ক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়। এই সাব-সেক্টরের অপারেশনাল এলাকার আওতায় ছিল হালুয়াঘাট, ঢালু ও ময়মনসিংহ সড়ক এলাকা। এসব এলাকায় আগস্ট থেকে অনেক যুদ্ধ হয়। কয়েকটিতে তিনি সরাসরি অংশ নেন।

বীরত্বসূচক খেতাবপ্রাপ্তদের তালিকা থেকে আরও পড়ুন
মন্তব্য করুন
বিজ্ঞাপন
বিজ্ঞাপন